তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক প্রোগ্রেসিভ পার্টির (ডিপিপি) প্রার্থী লাই চিং-তে জয়ী হয়েছেন।
শনিবার (১৩ জানুয়ারি) ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
চীনের ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে তাইওয়ানের স্বাধীনতার পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়ে আসছে ডিপিপি। নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন ডিপিপির ভাইস প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে। তিনি উইলিয়াম লাই নামেও পরিচিত।
দীর্ঘদিন কর্তৃত্ববাদী শাসন ও সামরিক আইন চলার পর ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো প্রত্যক্ষ ভোটে তাইওয়ানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়। এরপর থেকে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ধরে রেখেছে তাইওয়ান।
রয়টার্স জানিয়েছে, “১ কোটি ৯৫ লাখের বেশি ভোটার রয়েছেন তাইওয়ানে। এর মধ্যে ৫০ লাখের বেশি ভোট পেয়েছেন লাই। শনিবার সকালে ভোটগ্রহণ শুরুর পর আট ঘণ্টা ভোট দেন ভোটাররা। এরপর ফল ঘোষণা শুরু হয়। শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন লাই।”
নির্বাচনে লাইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন দুইজন। এদের একজন তাইওয়ানের প্রধান বিরোধীদল কুয়োমিনটাং-য়ের (কেএমটি) প্রার্থী হু যু-ই। আরেকজন হলেন অপেক্ষাকৃত নবীন দল তাইওয়ান পিপলস পার্টির (টিপিপি) প্রার্থী রাজধানী তাইপের সাবেক মেয়র কো ওয়েন-জে।
হু চীনকে পছন্দ করেন, এ কারণে লাই তাকে বেইজিংপন্থি বলেছেন; কিন্তু হু তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
তাইওয়ানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন পরপর দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকায় সংবিধান অনুযায়ী তিনি আর নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেননি।
এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রভাব বিস্তারের বিষয়টি বেশ আলোচিত হয়েছে। নির্বাচনে জয়ী ডিপিপি তাইওয়ানের পৃথক পরিচয়ের পক্ষে। তারা দ্বীপটির ওপর চীনের মালিকানার দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে।