জ্বর হলে ফলের সঙ্গে যেসব খাবার খাবেন

ঋতু পরিবর্তন, হাম, ডেঙ্গুর কারণে বর্তমানে জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি। শিশু থেকে বৃদ্ধ, কারও যেন রেহাই নেই। জ্বর যে কারণেই হোক, এর চিকিৎসার পাশাপাশি সঠিক পুষ্টি বজায় রাখার জন্য কিছু ফলও খাওয়া খুবই প্রয়োজন। 

জ্বর হলে তরল খাবারের পাশাপাশি যেসব ফলমূল খাবেন। জেনে রাখুন সেসব ফলের নাম ও উপকারীতা-

কমলালেবু বা লেবুজাতীয় ফল পুষ্টি ও ভিটামিনে পূর্ণ, যার মধ্যে রয়েছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী ভিটামিন সি, অন্ত্রবান্ধব এবং ফাইবার, যা হজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। 

এ সময় মসলা চা, আদা চা, যেকোনো হারবাল চা খুবই উপকারী। এগুলোর আছে অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল কার্যকারিতা। চায়ের সঙ্গে লেবু, মধু, তুলসীপাতা, পুদিনাপাতা ও লবঙ্গ মিশিয়ে খেলে তা খুব সহজেই সর্দি-কাশি কমিয়ে রুচি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। 

প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার (মাছ, মাংস, ডিম, দুধ) দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করে। জ্বর হওয়ার পর রোগীর শরীরে প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়। চর্বিহীন মাংসের পাতলা ঝোল, মুরগির স্যুপের মতো খাবারগুলো জ্বরের সময় অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান দেয়। 

এই খাবারগুলো পর্যাপ্ত শক্তি, ফাইবার ও প্রয়োজনীয় খনিজ সরবরাহ করবে। এসময়ে সবজি, চাল, ডাল দিয়ে তৈরি নরম পাতলা খিচুড়িও খেতে পারেন। 

ভিটামিনযুক্ত খাবার শরীরের পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে, যা জ্বরের পরে খুব জরুরি। তাজা ফলের রস (চিনি ছাড়া), ডাবের পানি, আখের গুড়ের শরবত, টাটকা ফল, ফলের স্মুদি-যেকোনোভাবে ফল খেলে তা থেকে এনার্জি পাওয়া যায়। 

ফলের পটাসিয়াম, খাদ্য আঁশ, ভিটামিন ‘সি’ ও অন্যান্য ভিটামিন পাওয়া যায়। বেদানা অনেক উপকারী ফল, জ্বর চলাকালীন এবং পরে নিয়মিত বেদানা খেলে উপকার পাওয়া যায়। এ ছাড়া মাল্টা, কমলা, পাকা পেঁপে, কলা খেতে হবে নিয়মিত।