যে ৫ ফলে কমবে রক্তচাপ, হৃদরোগের ঝুঁকি

রোগ-বালাই এখন আর কোনো বয়স মানে না। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসের মতো জটিল রোগ কাবু করে ফেলে নিতান্ত অল্প বয়সেই। এসবের ঝুঁকি এড়াতে পরিমিত কিন্তু সুষম খাদ্যতালিকার দিকে ঝুঁকছে সববয়সীরাই।

স্বাস্থ্যকর খাবারের পাশাপাশি এমন কিছু ফল রাখতে পারেন আপনার প্রতিদিনের খাবারে। যা আপনাকে একইসঙ্গে যেমন দেবে সতেজ অনুভূতি, তেমনি আপনার হৃৎপিণ্ড থেকে শুরু করে প্রতিটি অঙ্গকেই রাখবে সুস্থ।

কমলা

ভিটামিন সি, ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর কমলা। কেন গোটা কমলা ভালো? রস করার সময় ফাইবার বাদ চলে যায় এবং সুগার স্পাইক বেড়ে যায়। তাই পুষ্টি পুরোপুরি পেতে গোটা কমলাই খাওয়া উত্তম।
 

আপেল

আপেলে থাকা দ্রাব্য ফাইবার, যা রক্তের এলডিএল বা ‘খারাপ কোলেস্টেরল’ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 

সকালের নাশতায় প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবারের বদলে স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে একটি আপেল রাখুন। এতে হার্ট ভালো থাকবে।

অ্যাভোকাডো 

অ্যাভোকাডোফ্যাট আছে ভেবে অনেকে অ্যাভোকাডো এড়িয়ে যান। অথচ এতে আছে হার্ট-বান্ধব ফাইবার ও পটাশিয়াম। তবে এটি ক্যালোরি-সমৃদ্ধ ফল। 
তাই ‘যত বেশি খাবেন তত উপকার’ - এই ধারণা ঠিক নয়। পরিমিত পরিমাণে ডায়েটে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

ডালিম 

ডালিমে রয়েছে পলিফেনলের মতো শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। এটি রক্তপ্রবাহ বাড়াতে এবং প্রতি কোষে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের জোগান দিতে সাহায্য করে। পলিফেনল ধমনীতে ‘প্লাক’ জমতে বাধা দেয়, যা রক্ত চলাচলের অন্তরায়। পাশাপাশি এটি রক্তচাপ কমাতেও সহায়ক। এছাড়া বেদানার ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

বেরিজাতীয় ফল

দেখতে ছোট হলেও পুষ্টিগুণে ভরপুর। এগুলোতে পলিফেনল ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ঠাসা। এদের ফাইবার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সব কথার শেষ কথা, শরীর সুস্থ রাখতে অবশ্যই ফলমূল ও সুষম খাদ্যগ্রহণ করতে হবে। কিন্তু এর পাশাপাশি প্রতিদিন একটু হাঁটা, ওজনের দিকে খেয়াল রাখা, নিয়ম মেনে চলাটা ভীষণ জরুরি বলেই মনে করেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।