বাংলাদেশের স্বল্প-কার্বন ও জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রমাণভিত্তিক, বাস্তবসম্মত এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাইজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত “ইউনিভার্সিটি ডায়ালগ অন পিপল-লেড এলটি-এলইডিএস: বাংলাদেশ’স লো-কার্বন ফিউচার” শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
‘বাংলাদেশের এলটি-এলইডিএসের জন্য জ্বালানি ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ পরিকল্পনা’ প্রতিপাদ্যে সংলাপটি আয়োজন করে ‘ইয়ুথ ফর এনডিসি’। আয়োজনে সহযোগিতা করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ইনস্টিটিউট অব এনার্জি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট (আইইএসডি), বুয়েট এবং জার্মান দূতাবাস, ঢাকা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এলটি-এলইডিএসকে আরেকটি জলবায়ু নথি হিসেবে রেখে দিলে চলবে না। এটি হতে হবে একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় উন্নয়ন রোডম্যাপ, যা আমাদের বলে দেবে আমরা কী ধরনের অর্থনীতি গড়তে চাই, সেই অর্থনীতিকে কী ধরনের জ্বালানি ব্যবস্থা সমর্থন করবে, কোথায় বিনিয়োগ করতে হবে, কীভাবে শ্রমিক ও তরুণদের প্রস্তুত করতে হবে এবং কীভাবে মানুষের জীবনমান উন্নত করার পাশাপাশি প্রাকৃতিক ব্যবস্থা রক্ষা করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট (বিসিসিটি)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রওনকুল ইসলাম টিপু বলেন, “জলবায়ু অর্থায়ন জনগণের অর্থ। মানুষ ও পরিবেশ সুরক্ষার দায়িত্ব পালনের জন্য এই অর্থ আমাদের কাছে আমানত হিসেবে দেওয়া হয়েছে। তাই এর প্রতিটি টাকা থেকে দৃশ্যমান, পরিমাপযোগ্য এবং দীর্ঘস্থায়ী সুফল নিশ্চিত করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন আইএলও কান্ট্রি অফিস ফর বাংলাদেশের টেকনিক্যাল অফিসার-জাস্ট ট্রানজিশনস এলিসা বনেস্তাঁ ফ্রমেগি এবং ইনস্টিটিউট অব এনার্জি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট (আইইএসডি), বুয়েট-এর পরিচালক ড. মো. আলী আহাম্মদ শৌকত চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আমানুল্লাহ পরাগ, নির্বাহী পরিচালক, ইয়ুথ ফর এনডিসি।