ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর পর পর্যায়ক্রমে আরও ১০টি নাম ব্যবহারের তালিকা রয়েছে। এসব নামের প্রস্তাব দিয়েছে ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড। নির্ধারিত তালিকায় পরবর্তী নামগুলো হলো মুরাসু, আকভান, কানি, ঙামান, সাইল, সাহাব, লুলু, গাজির, গিগুম ও থিয়ানিয়ত।
কোন দেশের দেওয়া নাম কোনটি?
তালিকা অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের পর প্রথমে ব্যবহৃত হবে ভারতের প্রস্তাবিত মুরাসু নামটি। এরপর পর্যায়ক্রমে আসবে ইরানের আকভান ও মালদ্বীপের কানি। পরবর্তী নামগুলো হলো- মুরাসু (Murasu) - ভারত, আকভান (Akvan) - ইরান, কানি (Kaani) - মালদ্বীপ, ঙামান (Ngamann) - মিয়ানমার, সাইল (Sail) - ওমান, সাহাব (Sahab) - পাকিস্তান, লুলু (Lulu) - কাতার, গাজির (Ghazeer) - সৌদি আরব, গিগুম (Gigum) - শ্রীলঙ্কা, থিয়ানিয়ত (Thianyot) - থাইল্যান্ড।
যেভাবে হয় ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ
বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশের প্রস্তাবিত নাম নিয়ে একটি অনুমোদিত তালিকা রয়েছে। ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত আঞ্চলিক বিশেষায়িত আবহাওয়া কেন্দ্র এ অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের দায়িত্ব পালন করে।
তালিকায় নাম নির্ধারিত থাকলেও সব নাম ব্যবহৃত হবে বা নির্দিষ্ট সময়ে নতুন ঘূর্ণিঝড় তৈরি হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।।
ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের উদ্দেশ্য হলো সতর্কবার্তা প্রচার সহজ করা এবং দুর্যোগের সময় জনসাধারণকে দ্রুত ও স্পষ্টভাবে তথ্য জানানো। কোনো দেশ নাম প্রস্তাব করলেই ঝড়টি সেই দেশে আঘাত হানবে, এমন কোনো নিয়ম নেই।