ছয় মাসের রুমাইশার হৃদযন্ত্রে ছিদ্র, চিকিৎসার জন্য সহায়তা চায় পরিবার
ছয় মাস বয়সী ফুটফুটে শিশু রুমাইশা। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার রোমান-মনি দম্পতির প্রথম সন্তান সে। রুমাইশার আগমনে পরিবারে বয়ে গিয়েছিল আনন্দের বন্যা। তবে সেই আনন্দ হয় ক্ষণস্থায়ী। জন্মের কয়েক দিন পর তার হৃদযন্ত্র তিনটি ছিদ্র ধরা পরে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হার্টে ছিদ্র নিয়েই শিশুটি জন্ম নিয়েছে। বাঁচাতে হলে দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। কিন্তু এক্ষেত্রে বড় বাধা বাবা-মায়ের আর্থিক অসঙ্গতি।
রুমাইশার বাবা উপজেলার পিঞ্জুরী ইউনিয়নের কুরপালা গ্রামের রোমান ফকির স্থানীয় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বল্প বেতনে চাকরি করেন।
রোমান বলেন, “জন্মের কয়েক দিন পর আমার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে প্রথমে গোপালগঞ্জ সদর এবং পরবর্তীতে খুলনা শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরীক্ষায় ধরা তার হার্টে তিনটি ছিদ্র ধরা পড়ে।”
এরপর রুমাইশাকে ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন হাসপাতালে দেখানো হয়। সব চিকিৎসকই দ্রুত তার হার্টের অপারেশন করাতে বলেছেন। এতে চার লাখ টাকা প্রয়োজন।
ছোট্ট শিশুটির বাবা বলেন, “আমি অর্থ সংকটের কারণে মেয়ের অপারেশন করাতে পারছি না। এ পরিস্থিতিতে সমাজের সামর্থ্যবানদের সহযোগিতা কামনা করছি।”
রুমাইশার চিকিৎসক শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অধ্যাপক নুরুন নাহার ফাতেমা বলেন, “হার্ট ফাউন্ডেশনে শিশুটির চিকিৎসা সম্ভব। এতে অন্তত ৪ লাখ টাকা ব্যয় হবে।”
কোটালীপাড়া উপজেলার পিঞ্জুরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুজ্জামান খান মিলন বলেন, “এটি মানবিক বিষয়ক। শিশুটির বয়স মাত্র ছয় মাস। দেখলেই মায়া লাগে। আমার দিক থেকে শিশুটির জন্য যা করা দরকার আমি তা করব। তার চিকিৎসা হবে।”
রুমাইশার জন্য সহায়তা পাঠাতে পারেন আপনিও-
রোমান ফকির (বাবা), বিকাশ ও নগদ- ০১৯৪১১৭৪৩২২
মনি খানম (মা), বিকাশ- ০১৯৬৮২২১৩৯৪
(বিষয়টি মানবিক। যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের আগে প্রয়োজনে যাচাই করুন। এ সংক্রান্ত কোনো দায়ভার ঢাকা ট্রিবিউন বহন করবে না।)