গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের জামিন আবেদন নিয়ে আদালতে তৈমূর

সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া দলীয় নেতা–কর্মীদের জামিন আবেদন নিয়ে সোমবার (১৭ জানুয়ারি) আদালতে গিয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে পরাজিত স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার। এদিন নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ক-অঞ্চল) নুরুন্নাহারের আদালতে তাদের জামিন শুনানি হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে তৈমুর আলম খন্দকারের সঙ্গে গ্রেপ্তার নেতা-কর্মীদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

এক প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে দৈনিক প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণ।

নাসিক নির্বাচনের আগ থেকেই তার নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ করে আসছিলেন তৈমূর।

তৈমূর আলম খন্দকার জানান, ভোটের দুই দিন আগে তার দলের ১৭ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভোটের আগের দিন রাতে তার বাড়ি থেকে যাওয়ার পথে পুলিশ আরও ১০ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। তাদের হেফাজতে ইসলামের গাড়ি পোড়ানোর মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

শুনানির বিষয়ে তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, “আদালতে শুনানিতে বলেছি, এ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্রের চেহারা উন্মোচিত হয়েছে। আমি যদি নির্বাচনে অংশ নিয়ে কোনো ভুল করে থাকি, তাহলে আমার দুজন গাড়িচালকসহ যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের মুক্তি দেওয়া হোক, আমাকে গ্রেপ্তার করা হোক।”

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, “জামিন শুনানি হয়েছে। আদালত আদেশের জন্য রেখেছেন।”

গত ১৪ ডিসেম্বর তৈমূরের সমর্থক মমতাজ মিয়া (৩৫), মো. জামাল (৪৯), আহসান হোসেন (৩৯), মনির হোসেন (৩৮), আহসান উল্লাহ্ (৪৮), কাজী জসীম উদ্দিন (৪০), বোরহান উদ্দিন (৪৫), আবু তাহের (৫২) ও জয়দেব চন্দ্রকে (৪৮) গ্রেপ্তার করা হয়। হেফাজতের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের গত শনিবার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) হাসানুজ্জামান ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানান। পরবর্তীতে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।