তেইশ থেকে কমে জাতীয় পার্টির এখন ১১ জন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ পর্যন্ত ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৮টি আসনের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ২২৩টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ৬১টি আসনে। এছাড়া জাতীয় পার্টি ১১টি এবং ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ ও কল্যাণ পার্টি একটি করে আসনে জিতেছে।

সংখ্যার বিচারে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসনে জয়ী হয়েছেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৬৫টি আসনে নির্বাচন করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। এর মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সমঝোতা করে ২৬টি আসনে ছাড় পেয়েছিল একাদশ সংসদের এই প্রধান বিরোধী দল। শেষ পর্যন্ত ছাড় পাওয়া ২৬ আসনের ১১টিতে জয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা। সমঝোতার বাইরে একটি আসনেও জয়ের মুখ দেখেননি দলটির মনোনীত প্রার্থীরা।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভরাডুবিতে বর্তমান বিরোধী দলের আসন সংখ্যা অর্ধেকের কমই নেমে এসেছে। বর্তমানে একাদশ সংসদে দলটির দলটির ২৩ জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য রয়েছেন। আর সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য রয়েছেন চার জন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলাফল অনুযায়ী, জাপার চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (রংপুর-৩), মহাসচিব মো. মুজিবুল হক (কিশোরগঞ্জ-৩), কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৫), এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার (পটুয়াখালী-১), প্রেসিডিয়াম সদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী (ফেনী-৩), হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (ঠাকুরগাঁও-৩), গোলাম কিবরিয়া (বরিশাল-৩), এ কে এম সেলিম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৫), মো. আশরাফুজ্জামান (সাতক্ষীরা-২), এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান (কুড়িগ্রাম-১) ও শরিফুল ইসলাম (বগুড়া-২) নির্বাচিত হয়েছেন।

রুহুল আমিন হাওলাদার ও আশরাফুজ্জামান ছাড়া বাকিরা বর্তমান একাদশ জাতীয় সংসদেরও সদস্য।

একাদশ সংসদের ২৩ সদস্যের মধ্যে ঢাকা-৪ আসনে সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, গাইবান্ধা-১-এ শামীম হায়দার পাটোয়ারী, ময়মনসিংহ-৮-এ ফখরুল ইমাম, সুনামগঞ্জ-৪-এ পীর ফজলুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২-এ পনির উদ্দিন আহমেদ, নীলফামারী-৪-এ আহসান আদেলুর রহমান, নীলফামারী-৩-এ রানা মোহাম্মদ সোহেল, বগুড়া-২-এ শরিফুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ-৩-এ লিয়াকত হোসেন, বরিশাল-৬-এ নাসরিন জাহান, বগুড়া-৩-এ নুরুল ইসলাম তালুকদারসহ ১৪ জন সংসদ সদস্য জয়ী হতে পারেননি।

বর্তমান সংসদ সদস্যদের মধ্যে জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ ও তার ছেলে রাহগীর আল মাহি সাদ এরশাদ এবার নির্বাচন করেননি।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতায় আসন না পেয়ে কো-চেয়ারম্যান ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন