টেস্ট খেলুড়ে দলগুলোর মধ্যে তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে। অথচ সেই জিম্বাবুয়ের পেস ও স্পিন আক্রমণের সামনে দাঁড়িয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের শিকার হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। একটা পর্যায়ে ২ উইকেটে ১১৩ রান থাকা সত্ত্বেও, শেষ দিকে মাত্র ২৭ রানের ব্যবধানে শেষ ৮টি উইকেট হারিয়ে ১৪০ রানেই অলআউট হয়ে গেছে সফরকারীরা।
রোববার (২৮ জুন) হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় স্কোর বোর্ডে মাত্র ৩৬ রান জমা করতেই সাজঘরে ফিরে যান দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদমান ইসলাম অনিক।
প্রাথমিক ধাক্কা সামলে তৃতীয় উইকেটে ৭৭ রানের জুটি গড়ে দলকে খেলায় ফেরানোর চেষ্টা করেন সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হক সৌরভ ও বর্তমান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তাদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ভর করে এক পর্যায়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২ উইকেটে ১১৩ রান। কিন্তু এরপরই শুরু হয় ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিল।
১১টি বাউন্ডারির সাহায্যে দারুণ এক ফিফটি তুলে নেওয়া মুমিনুল হক ৮১ বলে ৬০ রান করে আউট হন। তাঁর বিদায়ের পরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের মিডল ও লোয়ার অর্ডার। মাত্র ৬ রানের ব্যবধানে ডাউন দ্য উইকেটে খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। সাজঘরে ফেরার আগে ৭৩ বলে মাত্র ১৯ রান করতে সক্ষম হন তিনি।
এরপর অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম ও তাওহীদ হৃদয় ক্রিজে এসে থিতু হতে পারেননি। এই টেস্টেই অভিষেক হওয়া উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান অমিত হাসানও নিজের ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হয়ে মাত্র ৪ রানে ফিরে যান। শেষ দিকে দলীয় ১৪০ রানের মাথায় তিন বোলার তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ ও খালিদ হাসান দ্রুত আউট হলে ৪৭.২ ওভারে ১৪০ রানেই শেষ হয় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।
টানটান বোলিং ডিসিপ্লিন ধরে রেখে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে ম্যাচের প্রথম দিনেই সফরকারী বাংলাদেশকে অল্প রানে গুটিয়ে দিয়ে সম্পূর্ণ ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে।