চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের বড় লক্ষ্য পেয়েও শেষ পর্যন্ত ৭ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। এই পরাজয়ের ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ হার নিশ্চিত হয়েছে টাইগারদের।
বৃহস্পতিবার সিরিজে টিকে থাকার লক্ষ্যে মাঠে নামে বাংলাদেশ। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে বাংলাদেশ ২০ ওভারে ১৮৯ রান পর্যন্ত যেতে সক্ষম হয়।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা দারুণ করেছিল বাংলাদেশ। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান পাওয়ার প্লেতে ঝড়ো ব্যাটিং করে দলকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যান। প্রথম তিন ওভারেই স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ৪২ রান। পাওয়ার প্লে শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ৭২ রান।
তানজিদ হাসান তামিম ১৫ বলে ৩০ রান করে আউট হন। এরপর সাইফ হাসানের সঙ্গে সৌম্য সরকার ও পরে পারভেজ হোসেন ইমন দলকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। সাইফ ৩৩ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ৪২ রান করেন। সৌম্য করেন ৯ বলে ১৫ রান।
চারে নেমে পারভেজ হোসেন ইমন দুর্দান্ত ব্যাটিং করে বাংলাদেশের জয়ের আশা জাগান। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের ওপর আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে তিনি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে তার বিদায়ের পরই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়।
শেষ দিকে তাওহীদ হৃদয় ও শামীম হোসেন প্রত্যাশিত ঝড় তুলতে পারেননি। শামীম ৮ বলে ৭ রান করে আউট হন। হৃদয় ২২ বলে ৩৫ রান করলেও দলকে জয় এনে দিতে পারেননি।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অ্যারন হার্ডি ৪ ওভারে ৪০ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। মাত্র ৪৪ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারায় তারা। তবে এরপর ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিডের ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা।
টিম ডেভিড ২৬ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় ৪৫ রান করে আউট হন। অন্যদিকে ম্যাট রেনশ খেলেন ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। ৫২ বলে ৪ চার ও ৫ ছক্কায় ৮৯ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
বাংলাদেশের হয়ে নাসুম আহমেদ ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। তবে বাকি বোলাররা অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের ওপর বড় কোনো চাপ তৈরি করতে পারেননি।
দ্বিতীয় ম্যাচের পর সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া। শেষ ম্যাচে এখন হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।



