Sunday, August 16, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা করা ছাত্রদল নেতা মাদকসহ আটক

রাজশাহীর চৌদ্দপাই মিজানের মোড় এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪০ এএম

চাঁদাবাজি ও শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা করা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুর রহমান হাসিব মাদকসহ আটক হয়েছেন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে রাজশাহীর চৌদ্দপাই মিজানের মোড় এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম কবির।

ওসি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই রিপন কুমারের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে হাসিবকে “ট্যাপেন্টাডল” নামের মাদকসহ আটক করা হয়। বর্তমানে তাকে মতিহার থানায় হেফাজতে রাখা হয়েছে।

হাসিব রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

এর আগে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের এক সদস্যের সঙ্গে চাঁদাবাজি নিয়ে তার একটি ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৯ অক্টোবর হাসিবকে অব্যাহতি দিয়েছিল ছাত্রদল। পরে ২০২৫ সালের ২৫ জুন এক শিক্ষার্থী তার বিরুদ্ধে ফের চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন।

এ ছাড়া ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীসহ কয়েকজনকে আটকে চাঁদা দাবির অভিযোগও উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে ২০২৫ সালেই হাসিবসহ বহিষ্কৃত তিন নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে ছাত্রদল।

চলতি বছরের ২২ এপ্রিল বহিরাগতদের নিয়ে আবু হাসান নামে এক শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগও ওঠে হাসিবের বিরুদ্ধে।

এসব অভিযোগ ও ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর গত ১১ জুলাই মতিহার থানায় মামলা করেন হাসিবুর রহমান হাসিব। মামলায় তিনি দাবি করেন, তাকে হেয়প্রতিপন্ন এবং রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

মামলায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক, দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সম্পাদক ও রাবি প্রতিনিধি, সকালের বুলেটিনের সম্পাদক, এনটিভি অনলাইনের সম্পাদক এবং ছুরিকাঘাতের ঘটনায় অভিযোগকারী শিক্ষার্থী হাসানকে আসামি করা হয়।

এদিকে মাদকসহ হাসিবের আটকের ঘটনায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী জানান, তারা বিষয়টি সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত জানেন না। থানায় যোগাযোগ করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে মাদকসেবন বা মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি অনুযায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান জানান, বিষয়টি তারা জানতে পেরেছেন। দেশের প্রচলিত আইনে তার বিরুদ্ধে তদন্ত হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

   

About

Popular Links

x