দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের ৫১২ রানের পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ার শঙ্কায় ছিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। তৃতীয় দিন শেষে ৩৭১ রানে ৬ উইকেট হারানো দলটির জন্য ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিনই মনে হচ্ছিল। তবে শেষ দিনে অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়ের অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ে বদলে গেছে পুরো চিত্র।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে আগের দিনই প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন হৃদয়। চতুর্থ দিনেও দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের ওপর আধিপত্য ধরে রেখে দলকে প্রথম ইনিংসে লিডের পথে এগিয়ে নেন তিনি। সেই সঙ্গে গড়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটে বিরল এক কীর্তি।
৪৫০ বলে ট্রিপল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হৃদয়। বাংলাদেশের মাত্র তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। একই সঙ্গে দেশের বাইরে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ট্রিপল সেঞ্চুরি করার ইতিহাস গড়েন এই মিডল অর্ডার ব্যাটার।
হৃদয়ের এই দুর্দান্ত ইনিংসের পথে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন জাকের আলী। পঞ্চম উইকেটে দুজনের ১৫১ রানের জুটি বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে। সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে থামেন জাকের। ১৬৮ বলে ৯৪ রান করেন তিনি।
এরপর মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে আরও বড় জুটি গড়েন হৃদয়। ষষ্ঠ উইকেটে দুজন যোগ করেন ১৮৫ রান। সাইফউদ্দিন ১৭১ বলে করেন ৮৭ রান।
এর আগে ম্যাচের শুরুতে দাপট দেখায় দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দল। প্রথম ইনিংসে ৫১২ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা। লেসেগো সেনোকওয়ানে ১১১ ও সিনেথেম্বা কেশিল ১২৮ রানের ইনিংস খেলেন। সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে ৯৭ রানে থামেন গ্যাভিন কাপলান।
সেই বিশাল স্কোরের জবাবে তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ ‘এ’-এর সংগ্রহ ছিল ৩৭১ রান, ৬ উইকেট হারিয়ে। সেখান থেকে শেষ দিনে হৃদয়ের ব্যাটিংয়েই ম্যাচের গল্প পুরোপুরি বদলে যায়।