টাইব্রেকার শট মিস নিয়ে যা বললেন মেসি

ইকুয়েডরকে টাইব্রেকারে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। খেলা ১-১ গোলে শেষ হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে জিতে লিয়নেল মেসির দল। বিশ্বকাপ জেতার পর আরও একবার কোপা জয়ের পথে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা। ফের একবার ম্যাচের নায়ক হলেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

টাইব্রেকারে চারটি শট নিয়েছে ইকুয়েডর, এর মধ্যে প্রথম দুটিই রুখে দিয়েছেন মার্টিনেজ। মেসি বাদে দলের অন্যরা বল জালে পাঠালে আর্জেন্টিনা ম্যাচটি টাইব্রেকারে জিতে নেয় ৪-২ ব্যবধানে।

গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে চিলির বিপক্ষে ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি মেসি।  তবে আজ কোয়ার্টার ফাইনালে ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই ছিলেন। লিসান্দ্রো মার্টিনেজের গোলের উৎসও ছিলেন তিনি। তবে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক খুব একটা নিজের মান অনুযায়ী খেলতে পারেননি।

পুরো নব্বই মিনিটে মেসির বলে স্পর্শ ছিল মাত্র ২৭ বার, গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজের চেয়ে একবার বেশি। ম্যাচ শেষে ইন্টার মায়ামি তারকা জানালেন,  ইনজুরির কারণে তাকে সতর্ক থাকতে হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমি এখন ঠিক আছি। কোনো অস্বস্তি নেই। আবার চোটে পড়ার বা অস্বস্তিতে ভোগার মানসিক ভয় সব সময়ই ছিল। তবে পেশিতে কোনো সমস্যা নেই। কোচ জিজ্ঞাসা করেছিল খেলতে প্রস্তুত কি না। আমি হ্যাঁ বলেছি।”

ইকুয়েডর বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের বেশ পরীক্ষাতেই ফেলেছিল। মেসির মতে এ ক্ষেত্রে মাঠেরও ভূমিকা আছে, “ওরা ভালো দল। বৈচিত্র্য আছে। শক্তিশালীও। তবে আমরা যেভাবে খেলতে চেয়েছি, পিচের কারণে সেটা পারা যায়নি। এ ধরনের মাঠে খেলা রক্ষণনির্ভর দলের জন্য সুবিধাজনক।”

টাইব্রেকার শট মিস নিয়ে মেসি বলেন, “খুব বিরক্ত লেগেছে নিজের ওপর। ভেবেছিলাম কিকটা ভালোই হবে। আমি (দুই গোলকিপার) দিবু ও রুইয়ের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। এই কিকটা অনুশীলন করা হয়নি, শুধু কথা বলে নিয়েছিলাম। আমার চেষ্টা ছিল বলটা আস্তে করে মারতে, কিন্তু উঁচুতে উঠে গেল।”

এমি মার্টিনেজের প্রশংসা করে মেসি বলেন, “আমি জানতাম, এ ধরনের সময়ে দিবু দাঁড়িয়ে যাবে। এ ধরনের মুহূর্তই ওর পছন্দ, যেটা তাকে বড় করে তুলেছে। ও গোলবারের নিচে থাকলে অন্য রকম হয়ে ওঠে।”