কোচ হিসেবে প্রথম ম্যাচে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ইকুয়েডরকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছেন আনচেলত্তি। কিন্তু কিছুতেই কিছু হলো না। সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ কোচের অভিষেকটা হয়েছে হতাশার গোলশূন্য ড্রয়ে। ইকুয়েডরের বিপক্ষে কোনো গোলই করতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
পুরো ম্যাচে বলার মতো তেমন কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি আনচেলত্তির শিষ্যরা। এমনকি ইকুয়েডর যদি ফিনিশিংয়ে দুর্বলতা না দেখাত, তবে গোল শূন্য ড্র হওয়ার পরিবর্তে এই ম্যাচে হারতেও পারত ব্রাজিল।
সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগটি তৈরি করেছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তাকে অ্যাসিস্ট করেছিলেন গারসন। কিন্তু সেটি সেভ করেন গোলকিপার গঞ্জালো ভ্যালে।
বিপরীতে দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের ওপর ত্রাস ছড়ানোর চেষ্টা করেছে ইকুয়েডর। জন ইয়েবোয়াহ থ্রু বল দিয়েছিলেন। কিন্তু অফসাইড পজিশনে পড়ে যান স্ট্রাইকার নিলসন আনগুলো।
ইকুয়েডরের চাপের মুখে একপর্যায়ে জোড়া বদল আনেন আনচেলত্তি। রিচাার্লিসন ও এস্তেভাওয়ের পরিবর্তে মাঠে নামেন গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি ও ম্যাথিউস কুনিয়া। কিন্তু তাতেও খুব একটা পরিবর্তন আসেনি ব্রাজিলের খেলায়।
ইকুয়েডরের বিপক্ষে হতাশাজনক ড্রয়ের পর দক্ষিণ আমেরিকার বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ১৫ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে আছে ব্রাজিল। সমান ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে ইকুয়েডর আছে দুই নম্বরে।