অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন ‘আইফোন আল্ট্রা’ বাজারে আসার আগেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। নতুন এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফোনটির গড় বিক্রয়মূল্য হতে পারে ২,৫৫০ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ লাখ ১৩ হাজার টাকা।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রযুক্তি সাময়িকী ম্যাশেবলের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অ্যাপলের নতুন আইফোন উন্মোচন অনুষ্ঠান। এর আগেই ফোল্ডেবল আইফোনের সম্ভাব্য দাম নিয়ে নানা তথ্য সামনে আসছে।
বিভিন্ন ফাঁস হওয়া তথ্য ও বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, ফোনটির প্রাথমিক দাম ২,০০০ ডলার বা তার বেশি হতে পারে।
তবে বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ডেটা করপোরেশনের (আইডিসি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফোল্ডেবল আইফোনের গড় বিক্রয়মূল্য হতে পারে ২,৫৫০ ডলার। তার মানে এই নয় যে, ফোনটির শুরুর দামই এমন হবে। বরং বেশি স্টোরেজের সংস্করণসহ অন্যান্য কনফিগারেশনের কারণে গড় বিক্রয়মূল্য আরও বাড়তে পারে।
কিছু অ্যাপল বিশ্লেষকদের মতে, আইফোন আল্ট্রার প্রাথমিক দাম হতে পারে ২,৩৯৯ ডলার। বেশি স্টোরেজের সংস্করণ কিনলে দাম ৩,০০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।
দাম বেশি হলেও ফোনটি বাজারে বড় ধরনের সাফল্য পেতে পারে আশা করছে আইডিসি।
প্রতিষ্ঠানটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ ১ কোটি ৭০ লাখের বেশি আইফোন আল্ট্রা বিক্রি হতে পারে - যা থেকে অ্যাপলের আয় হতে পারে ৪৫.৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি।
আইডিসির গবেষণা পরিচালক নাবিলা পোপাল ম্যাশেবলকে বলেন, “ফোল্ডেবল ফোনের বাজারে অ্যাপলের প্রবেশ কেবল এই খাতের প্রবৃদ্ধি ফিরিয়ে আনবে না, বরং পুরো বাজারের গতিপথই বদলে দিতে পারে।”
আইডিসির হিসাবে, অ্যাপল ফোল্ডেবল ফোনের বৈশ্বিক বাজারের প্রায় ৪০% দখল করতে পারে। একইসঙ্গে এই ফোন বিক্রি থেকে তৈরি হওয়া মোট বাজারমূল্যের অর্ধেকেরও বেশি অ্যাপলের দখলে যেতে পারে।
অ্যাপলের নতুন ফোনটি বাজারে এলে দীর্ঘদিন ধরে ফোল্ড ফোনের বাজারে নেতৃত্ব দেওয়া স্যামসাং ও হুয়াওয়ের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতায় নামবে প্রতিষ্ঠানটি।
তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা তথ্যগুলো এখনও বিভিন্ন পূর্বাভাস ও প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে বলা হয়েছে। অ্যাপল আনুষ্ঠানিকভাবে আইফোন আল্ট্রার দাম ও বিস্তারিত স্পেসিফিকেশন প্রকাশ না করা পর্যন্ত এর চূড়ান্ত দাম নিশ্চিত নয়।