ফিলিস্তিনে চলমান সংঘাতের বিষয়ে হামাসের পক্ষ নিয়ে দেওয়া পোস্ট, মন্তব্য মুছে ফেলা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও থ্রেডের মূল সংস্থা মেটা।
নিজেদের প্ল্যাটফর্মে যুদ্ধ সম্পর্কিত ভুল তথ্য নিয়ন্ত্রণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি।
প্রযুক্তির জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানটি বলছে, “এই পদক্ষেপের আওতায় হামাসকে সমর্থন করে এমন পোস্ট মুছে ফেলা হবে।
তারা জানায়, “তাৎক্ষনিকভাবে এই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও ব্যবস্থা নিতে একটি বিশেষ অপারেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে। যেখানে হিব্রু এবং আরবি ভাষাভাষীসহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞরা রয়েছে। এই অপারেশন সেন্টার মেটার কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘন করে এমন পোস্ট সরিয়ে দেবে।”
এছাড়াও বিপজ্জনক সংস্থা, ব্যক্তি, হিংসাত্মক এবং গ্রাফিক বিষয়বস্তু, ঘৃণাত্মক বক্তৃতা, সহিংসতা এবং উস্কানি ও ক্ষতিকর তথ্যের বিষয়েও এই নীতিমালা প্রয়োগ করা হবে।
মেটা জানায়, “৭ অক্টোবর থেকে পরের তিন দিনে হিব্রু ও আরবি ভাষায় এই নীতি লঙ্ঘনের জন্য ৭৯৫,০০০টির বেশি পোস্ট সরানো হয়েছে। এটি আগের দুই মাসের তুলনায় সাতগুণ।”
মেটা সাময়িকভাবে সহিংসতা এবং উসকানি নীতির আরও প্রয়োগ করছে। বিশেষ করে, এ সংক্রান্ত বিষয় সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটি বলছে, “আমাদের নিয়ম অনুসারে, আমাদের দল সেই হ্যাশট্যাগের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়বস্তু ধারাবাহিকভাবে অপরারণ করছে। এছাড়া কয়েকটি ইনস্টাগ্রাম হ্যাশট্যাগ সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। এগুলো আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।
ওই অঞ্চলের গুজব অনুসন্ধানে থার্ড-পার্টি ফ্যাক্ট-চেকারদের সঙ্গে কাজ করছে মেটা। এএফপি, রয়টার্স ও ফাতাবিয়ানোর মাধ্যমে আরবি এবং হিব্রু উভয় ভাষায় ফ্যাক্ট চেকিং নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে মেটা।
মেটার নীতি অনুযায়ী, হামাসকে বিপজ্জনক সংগঠন এবং ব্যক্তি নীতির অধীনে মনোনীত করা হয়েছে। এর মানে হামাস মেটার প্ল্যাটফর্ম থেকে নিষিদ্ধ।