অনেকদিন ধরেই দেশের বাইরে আছেন দেশসেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র আন্দোলনে ঢাকায় গার্মেন্টসকর্মী রুবেল হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে মামলা থাকায় দেশে ফিরতে পারছেন না এই অলরাউন্ডার।
সম্প্রতি তিনি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাটি তুলে নিতে ১ কোটি টাকা দাবি করা হয়।
ওই সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, “টাকার (মামলা উঠিয়ে নেবে বলে) একটা প্রস্তাব আমার কাছে এসেছে। বলেছে যে, এক কোটি টাকা দিলে আমার নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে। তবে যে বা যারা টাকাটা দাবি করছে, তাদের ধারণা নেই যে কেসটা যেহেতু করে ফেলেছে, এখন চাইলেও তারা নাম ওঠাতে পারবে না। বা তারা ওঠালেও পুলিশ যে ওঠাবে বিষয়টা তা না। আলটিমেটলি পুলিশের থেকেই এটার ক্লিয়ারেন্স আসতে হবে যে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।”
এদিকে, কারা তাকে মামলা উঠিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এফআইআরে বাদীপক্ষে যার নাম আছে যোগাযোগ করার জন্য, তিনি দু-একজনের মাধ্যমে যোগাযোগটা করেছেন।” তবে কাদের মাধ্যমে যোগাযোগ করেছে সে বিষয়ে কিছু খোলাসা করেননি সাকিব।
ঢাকায় গার্মেন্টসকর্মী রুবেল হত্যায় সাকিবকে ২৮ নম্বর আসামি হিসেবে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ডিএমপির আদাবর থানায় মামলাটি করেন নিহত রুবেলের বাবা রফিকুল ইসলাম।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। মামলায় ১৫৬ জন নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় ৪০০-৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ওই মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ৫ আগস্ট আদাবরের রিংরোডে প্রতিবাদী মিছিলে অংশ নিয়ে বুকে ও পেটে গুলিবিদ্ধ হন গার্মেন্টসকর্মী রুবেল। পরে তাকে হাসপাতালে নিলে ৭ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
যদিও অনেকদিন ধরেই এই মামলার তদন্তের দাবি করছেন সাকিব। জুলাই ছাত্র আন্দোলনের সময় তিনি দেশের বাইরে ছিলেন।



