Thursday, June 11, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

নবম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণে চুক্তি স্বাক্ষর

মূল সেতু ও সংযোগ সড়ক নির্মাণে প্রয়োজনীয় অর্থ অনুদান হিসেবে দেবে চীন সরকার

আপডেট : ১১ জুন ২০২৬, ০৩:১২ পিএম

পটুয়াখালীতে সোয়া এক কিলোমিটার দীর্ঘ নবম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ ও চীন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এই বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় বলে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় বলছে, দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে নতুন এই সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

বাংলাদেশের পক্ষে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্মসচিব (বৈদেশিক সহায়তা অধিশাখা) মো. মোকছেদ আলী এবং চীন সরকারের পক্ষে দূতাবাসের কাউন্সেলর সং ইয়াং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

নবম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মিত হবে পটুয়াখালী জেলার লেবুখালী-বাউফল-গলাচিপা-আমড়াগাছিয়া জেলা মহাসড়কের (জেড-৮৮০৬) ১৪তম কিলোমিটারে লোহালিয়া নদীর ওপর বগা ফেরিঘাটের ভাটিতে। 

মন্ত্রণালয় বলছে, দীর্ঘদিন ধরে বাউফল, গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার লাখো মানুষ এবং ব্যবসায়ীরা কৃষিপণ্য, মৎস্যসম্পদ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনের জন্য বগা ফেরিঘাটের ওপর নির্ভরশীল। সেতুটি নির্মিত হলে এ অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে।

প্রকল্পটির মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২.৬২ কিলোমিটার। এর মধ্যে প্রায় ১.৩৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ মূল সেতু এবং প্রায় ১.২৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ সংযোগ সড়ক।

প্রকল্পের আওতায় মূল সেতু ও সংযোগ সড়ক (অ্যাপ্রোচ রোড) নির্মাণে প্রয়োজনীয় অর্থ অনুদান হিসেবে দেবে চীন সরকার। অন্যদিকে ভূমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বহন করবে বাংলাদেশ সরকার।

চুক্তি স্বাক্ষরের পরবর্তী ধাপে চীন সরকারের মনোনীত কোম্পানি সেতুর বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন ও চূড়ান্তকরণের কাজ সম্পন্ন করবে। একইসঙ্গে প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়নের কার্যক্রমও এগিয়ে চলছে।

প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সেতু নির্মিত হলে দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তনের পাশাপাশি যাতায়াত ব্যয় ও সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং সেই সঙ্গে পণ্য পরিবহন সহজতর হবে এবং কৃষি, মৎস্য, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাতের বিকাশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

   

About

Popular Links

x