দেশে খাদ্য পরিবেশনকারী প্রতিষ্ঠান প্রায় সাড়ে চার লাখ। এর মধ্যে হোটেল রেস্তোরার ও চা-স্টলও আছে। ফার্স্ট ফুডের দোকান আছে প্রায় ৬৭ হাজার। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সবশেষ হিসেব অনুযায়ী এ তথ্য পাওয়া গেছে।
গত ১৬ জুলাই এসব ছোট ও মাঝারি পর্যায়ের খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর রেজিস্ট্রেশন থাকতে হবে, আর বিশেষ বা গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্য নিয়ে যারা কাজ করে তাদের লাইসেন্সও নিতে হবে বলে একটি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
দেশে লাখ লাখ ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকান আছে। এমনও দোকান আছে যেগুলো ফুটপাতেই চুলা বসিয়ে রান্না করে খাবার বিক্রি করে।
বিবিসি বলছে, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ভ্রাম্যমাণ ভ্যানে ফার্স্ট ফুডের কত দোকান আছে তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না।
এসব খাদ্য নিরাপদ কি না তা যাচাইয়ের সক্ষমতা সরকারের নেই, বলেও প্রতিবেদনটিতে জানিয়েছে বিবিসি বাংলা।



