শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে আইনগত সহায়তা নিয়ে ব্র্যাক ও ব্লাস্টের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আগামী ডিসেম্বরে দেশে আসার কথা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা, এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ কী হবে জানতে চাইলে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “প্রথম কথা হলো, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার প্রত্যর্পণের চেষ্টা করছে কি করছে না, সেটা আপনি কীভাবে জানেন? অবশ্যই চেষ্টা করছে, আমি বলছি। দ্বিতীয়ত হলো, একজন ফাঁসির আসামি হলেও তিনি যদি বাংলাদেশের নাগরিক হন, বাংলাদেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে বাংলাদেশে এসে আত্মসমর্পণ করতে চান, সেখানে হয়তো তার আত্মসমর্পণের আগেই গ্রেপ্তার হবেন। কিন্তু তার সেই অধিকার তো আছে।”
তিনি বলেন, “আসলে আসবেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। সেখানে তো আমরা আইনের ব্যত্যয় করে আমরা কিছু করব না। আইন যেভাবে আমাদের ক্ষমতা দিয়েছে, আমরা সে ক্ষমতা প্রয়োগ করবো।”
তার কাছে পাসপোর্ট নেই, তিনি আসলে কীভাবে আসবেন- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “তিনি কীভাবে আসবেন, এটা তার সমস্যা। এটা আমার সমস্যা না। তিনি যখন আমার চৌহদ্দির মধ্যে ঢুকবেন, তখন আইন আমাকে যেই ক্ষমতা দিয়েছে, আমি আইনের প্রয়োগ করব। বিষয়টি একেবারেই সহজ।”
আপনি বলেছিলেন যে সেপ্টেম্বরে জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে। এখন কি সে পর্যায়ে আছে, নাকি বিশেষ অধিবেশন ডাকতে হবে—এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এটি এখন পর্যন্ত আমাদের কোনো আলোচনায় আসেনি। আমি সাংবিধানিক ব্যাখ্যা দিয়েছি। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদে আছে, রাষ্ট্রপতি যেদিন পদত্যাগ করবেন, সেদিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
“প্রশ্ন এসেছিল, আমরা বিশেষ অধিবেশন ডাকব কি না। ৯০ দিন যেহেতু সময় আছে, আর গত অধিবেশন শেষ হওয়ার পর থেকে পরবর্তী অধিবেশন ৬০ দিনের মধ্যে ডাকতে হবে। সুতরাং এই দুই সময়সীমা যেহেতু মিলছে, সে কারণে আমি বলছি বিশেষ অধিবেশন ডাকার আপাতত প্রয়োজনীয়তা দেখছি না। তবে সরকার মনে করলে অবশ্যই ডাকতে পারে।”



