পদ্মা নদীর মাঝখানে ছিটমহলসম জলাভূমি অঞ্চল আড়িয়াল বিলের মাছের ওপর বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, কইসহ আরো ৪ প্রজাতির মাছে পাওয়া গেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক।
গত জুলাই মাসে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী জার্নাল অব হ্যাজার্ডাস ম্যাটেরিয়ালস অ্যাডভান্সেসে উঠে এসেছে এ চিত্র।
কই ছাড়া আর যেসব মাছে মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক
কই মাছ সর্বভুক স্বভাবের, এ কারণে তলানি ও প্লাঙ্কটনের সঙ্গে থাকা প্লাস্টিক কণাও সহজে গ্রহণ করে। তাই এই মাছের শরীরে অন্য মাছের তুলনায় মাইক্রোপ্লাস্টিক বেশি দেখা গেছে। এছাড়াও বাটা, মেনি, গুলশা টেংরা ও পুঁটি মাছেও মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি।
গবেষণায় বলা হয়েছে, ঢাকা ও মুন্সিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত দেশের মধ্যাঞ্চলের সর্ববৃহৎ ২৬০ বর্গমাইলের এ বিলটির ১৫০টি মাছ সংগ্রহ করে সেগুলোর অন্ত্র, ফুলকা ও মাংসপেশি আলাদাভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে।
গবেষকরা যা বলছেন
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে, মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি এখন সবজায়গায় হলেও মাছের মাংসপেশিতে এ উপস্থিতি বিপজ্জনক। সরাসরি ক্ষতির আশঙ্কা কম থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি থাকতে পারে বলেই মত গবেষকদের।
এমন এক সময়ে এ গবেষণার ফলাফল সামনে এলো, যখন দেশে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে চরম উদ্বেগ রয়েছে মানুষের। বিশেষ করে ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়ার পর থেকে এ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।
এছাড়াও দুধ, চিনি ও সয়াবিন তেলের মতো নিত্য ব্যবহৃত খাদ্যপণ্যেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।



