Wednesday, September 09, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ

অর্থায়ন পাওয়া সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী 
আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হলে প্রকল্পটির বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “চট্টগ্রাম-ঢাকার মধ্যে যাতায়াত সময় এবং দূরত্ব কমানোর জন্য সরকার সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।”

তিনি জানান, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি আরও জানান, টঙ্গী-আখাউড়া ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

এই দুটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা ও ট্রেনের গতি বাড়বে বলে জানান তিনি।

ঢাকা-কুমিল্লা কর্ডলাইন নির্মাণের উদ্যোগ ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরের দূরত্ব কমাতেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত কর্ডলাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ চলছে।

তিনি জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে দূরত্ব কমার পাশাপাশি ট্রেনের গড় গতিও বাড়বে। ফলে অল্প সময়ে এ রুটে যাতায়াত করা সম্ভব হবে।

অর্থায়ন নিশ্চিত হলেই ইলেকট্রিক ট্রেন চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার জন্য ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের নিমিত্ত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।'

তিনি জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। অর্থায়ন পাওয়া সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এতে ট্রেনের গড় গতি বাড়বে এবং যাতায়াতের সময় কমবে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

   

About

Popular Links

x