Tuesday, September 29, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রূপপুরের প্রথম ইউনিটের নির্মাণ শেষ, পারমাণবিক শক্তির অঙ্গনে বাংলাদেশ

এই মাইলফলকের কথা তুলে ধরেন রোসাটমের যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক আন্দ্রে তিমোনভ

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯ এএম

দেশের প্রথম পারমাণবিক স্থাপনা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ব পারমাণবিক পরিবারের অংশ হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন রোসাটমের যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক আন্দ্রে তিমোনভ।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার ইয়েকাতেরিনবার্গে ‘ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ইয়ুথ-২০২৬’-এর ‘মিডিয়া স্ট্রিম’ কর্মসূচির আওতায় ‘আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে রাশিয়ার ভাবমূর্তি’ শীর্ষক এক অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন।

তিমোনভ বলেন, “বাংলাদেশি অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে রোসাটম এ বছর রূপপুরের প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ শেষ করেছে। ইউনিটটির কমিশনিং কার্যক্রমও এ গ্রীষ্মে শুরু হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে একটি নতুন পারমাণবিক শক্তির উত্থান ঘটছে। রূপপুর প্রকল্প শুধু দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করবে না, প্রযুক্তিগত উন্নয়নেও গতি আনবে। এর মাধ্যমে কয়েক দশকের পরিবর্তে কয়েক বছরের মধ্যে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের যাত্রা সম্পন্ন করতে পারে।”

বাংলাদেশে নিজের একাধিক সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিমোনভ বলেন, “দেশটির প্রকৃতি ও মানুষ আমাকে মুগ্ধ করেছে। মাত্র ১০ বছর আগেও বাংলাদেশে পারমাণবিক  শক্তির কোনো কথাই ভাবা যেত না। এখন দেশটি নতুন পারমাণবিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।”

বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রতি মানুষের আগ্রহের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষ্য, রাশিয়া ও বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক তরুণ পারমাণবিক বিষয়ে পড়াশোনায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

তিমোনভ বলেন, “বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ধারণা কয়েক দশকের পুরোনো। সোভিয়েত ইউনিয়নের সময়ই এ বিষয়ে প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।” তার মতে, রূপপুরের মাধ্যমে বাংলাদেশ শুধু জ্বালানি ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করছে না, বরং এমন প্রযুক্তিগত অগ্রগতির দিকে এগোচ্ছে, যা অর্জন করতে অন্য দেশগুলোর ৬০ থেকে ৮০ বছর লেগেছে।

রূপপুরকে বাংলাদেশের জাতীয় গর্বের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তিমোনভ বলেন, “বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পাশাপাশি এমন একটি স্থাপনা তৈরি হয়েছে, যা নিয়ে পুরো দেশ গর্বিত।”

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১১ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর ইয়েকাতেরিনবার্গে ‘ফলো ইওর ড্রিম’ স্লোগানে আন্তর্জাতিক যুব উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১ লাখ ১৩ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়ে। ১৯১টি দেশের ১০,০০০ অংশগ্রহণকারী উৎসবে যোগ দেন। বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৯০ জন প্রতিনিধি এতে অংশ নেন।

   

About

Popular Links

x