Wednesday, September 30, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘যেসব এলাকার এমপি জামায়াতের, সেসব এলাকায় সার সংকট হয়েছিল’

 স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এসব বলেছেন

আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০২ পিএম

কুড়িগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রাসায়নিক সারের সংকটকে ‘জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক সৃষ্ট কৃত্রিম সংকট’ বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। 

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। 

এসময় তিনি বলেন, “সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছিল। একটি রাজনৈতিক দল তাদের নেতাকর্মীকে উসকিয়ে দিয়ে সাজানো নাটক তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে আমাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছিল।”

বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে একদিনের সফরে কুড়িগ্রাম পৌঁছান তিনি। সফরকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা এবং সমন্বয় সভায় অংশ নেন তিনি।

সার সংকটের জন্য জামায়াতে ইসলামীকে দায়ী করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এই কৃত্রিম সংকটের সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দল এবং বিগত স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় নিয়োগ করা কিছু কিছু ডিলার জড়িত ছিল।  সারের সংকট যে সময় বলা হয়েছিল সেসময় সারাদেশে কোথাও কোনো সারের সংকট ছিল না, এই জেলাতেও সারের যথেষ্ট মজুদ ছিল। ডিলারদের কাছেও প্রচুর সার ছিল।”

এসময় হাতে একটি মানচিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, “সারের সংকট যে সময় তৈরি হয়েছিল তা লাল চিহ্নিত অংশে। লাল চিহ্নিত অংশটি দেখবেন কুড়িগ্রাম, রংপুর, কুষ্টিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মেহেরপুর, নড়াইল, বাগেরহাট,সাতক্ষীরা। এই অঞ্চলগুলি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের। সারা বাংলাদেশে যেখানে বিএনপির সংসদ সদস্যরা নির্বাচিত হয়েছেন সেই অঞ্চলগুলোতে সারের কোনো সংকট হয়নি, সার নিয়ে কোনো আন্দোলন হয়নি।”

“এর অর্থ প্রমাণিত হয়, একটি রাজনৈতিক দল আমাদেরকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য, জনগণের কাছে বিএনপিকে বিভ্রান্ত করার জন্য, যে এলাকা থেকে তারা নির্বাচিত সেসব এলাকায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করার চেষ্টা করেছিল। আমরা সচেতনতার সঙ্গে প্রশাসন ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করেছিল।”

আগামীতে সারের কোনো সংকট হবে না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “আপনাদের মাধ্যমে কুড়িগ্রামসহ দেশবাসীকে বলতে চাই, আগামী দিনে সারের কোনো সংকট হবে না। সারের যা চাহিদা তার দেড়গুণ আমদানির জন্য আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। আমাদের সমস্ত বাফার গোডাউন এবং নরমাল গোডাউনগুলোতে আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বর পর্যন্ত সারের মজুদ করে রেখেছি।”

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের প্রসঙ্গ টেনে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বলেন, “এই যে বিরোধী দল বিদ্যুৎ, তেল এবং জ্বালানি নিয়ে কয়েকদিন আগে রংপুরে লংমার্চে এসেছিল। যদিও নাম হওয়া উচিৎ চিল রোডমার্চ। কারণ লংমার্চ হয় পায়ে হেঁটে। কিন্তু একটি রাজনৈতিক দলের আমি ভুল ধরতে চাই না।”

বিরোধী দলীয় নেতা সংসদে দাঁড়িয়ে জাতির সামনে বলেছেন, “বিদ্যুৎ-জ্বালানির সমস্যা বিএনপি সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে।”  

তিনি বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি চেষ্টা করছে সমস্যা সমাধানের।”

   

About

Popular Links

x