Thursday, October 01, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

হবিগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ বাস চলাচল

এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা 

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম

শ্রমিকদের মারধর ও বাস আটকে রাখার অভিযোগ জানিয়ে এর প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছেন হবিগঞ্জের পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতারা। 

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোর থেকে হবিগঞ্জের অভ্যন্তরীণ রুটসহ দূরপাল্লার সব বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। 

হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল জানান, দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার-শেরপুর-সিলেট রুটে বাস চলাচল নিয়ে দুই জেলার মালিক-শ্রমিকদের মধ্যে বিরোধ চলছে। বিভিন্ন সময়ে বৈঠকের মাধ্যমে সমাধান হলেও পরে আবারও বাস আটকের ঘটনা ঘটছে।

তিনি আরও জানান, গত ১২ জুন সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্ত হয়, হবিগঞ্জ-সিলেট ভায়া মৌলভীবাজার রুটে আগের মতো বাস চলাচল করবে। তবে শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জের বাস কোনো স্টপেজ দিতে পারবে না। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাস চলাচল করছিল।

এরপর গত ১১ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজারের এসএমএস মালিক-শ্রমিকরা হবিগঞ্জের ২২টি বাস আটকে রাখেন বলে দাবি করেন তিনি। পরে ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠকে ১২ জুনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাস চলাচলের বিষয়ে সমঝোতা হয়। বৈঠকের পর আটক বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়।

হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল বলেন, “হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের বিরতিহীন এক্সপ্রেস বাসের চালক ও শ্রমিকদের মৌলভীবাজারের এসএমএস পরিবহনের শ্রমিক-মালিকরা শেরপুরে আটকে রেখে মারধর ও বাস ভাঙচুর করেছেন।”

তার দাবি, বর্তমানে হবিগঞ্জের তিনটি বাস এসএমএস পরিবহনের লোকজন নিজেদের কার্যালয়ের সামনে আটকে রেখেছেন। 

সোহেল বলেন, “এর প্রতিবাদে এবং আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হবিগঞ্জের বাসগুলো নির্বিঘ্নে চলাচলের দাবিতে পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতারা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।” দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, “বিষয়টি সমাধানের দিকে এগোচ্ছিল এবং পরিস্থিতিও অনেকটা শান্ত ছিল। তবে হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের লোকজন শ্রীমঙ্গলে এসএমএস পরিবহনের কাউন্টারে হামলা ও ভাঙচুর করেছে। তারাই পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “শ্রীমঙ্গলের শ্রমিকরাই বাসগুলো আটকে রেখেছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলাও হয়েছে। বিষয়টির সমাধানে দুপক্ষকে নিয়ে বসতে হবে।”

   

About

Popular Links

x