Wednesday, October 07, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

২০২৭ সালে বাংলাদেশে গাড়ি উৎপাদন শুরু করতে চায় টয়োটা, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী টয়োটার বিনিয়োগ ও কার্যক্রম সম্প্রসারণের আগ্রহকে স্বাগত জানান

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১১ এএম

বাংলাদেশে কার্যক্রম সম্প্রসারণ, বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন জাপানের অটোমোবাইল ব্র্যান্ড টয়োটার প্রতিনিধিরা।

টয়োটা তুশো করপোরেশনের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে জানানো হয়, ২০২৭ সালে বাংলাদেশে ইলেকট্রিক গাড়ি উৎপাদনের কাজ শুরু করবে টয়োটা।

বৈঠকের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন টয়োটা তুশো করপোরেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ইচিরো কাশিতানি। বৈঠকে তারা বাংলাদেশে গাড়ি উৎপাদন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়নের প্রসার, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে অবদান রাখার আগ্রহের কথাও তারা জানান। প্রধানমন্ত্রী টয়োটার বিনিয়োগ ও কার্যক্রম সম্প্রসারণের আগ্রহকে স্বাগত জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি স্থিতিশীল, প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা, অবকাঠামোগত সুবিধা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।“

উপ প্রেস সচিব আরও জানান, বৈঠকে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়। এসব খাতে টয়োটা তুশো করপোরেশন বিনিয়োগে আগ্রহী হলে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে।

টয়োটা কর্তৃপক্ষ জানায়, বাংলাদেশে তাদের ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক সব বিভাগীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টয়োটার সেবা আরও সহজলভ্য করা হবে। এ ছাড়া “বাংলাদেশের সঙ্গে, বাংলাদেশের জন্য” উন্নয়ন দর্শনকে সামনে রেখে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২০২৭ সালে হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল (এইচইভি) বা ইলেকট্রিক গাড়ি উৎপাদন শিল্প গড়ে তোলার কাজ শুরু হবে, যা ২০২৯ সালের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে যাবে।

মানবসম্পদ উন্নয়নেও অবদান রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছে টয়োটা। উপ প্রেস সচিব বলেন, “বিশেষ করে তরুণদের জন্য কারিগরি ও পেশাগত প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ শিল্পের উপযোগী দক্ষ জনবল গড়ে তোলার বিষয়ে সম্ভাব্য উদ্যোগের কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে।“

বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন। টয়োটা তুশো করপোরেশনের পক্ষে ছিলেন কোম্পানির মোবিলিটি ডিভিশনের সিইও শিগেরু হারাদা, টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট প্রেমমিত সিংসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

   

About

Popular Links

x