Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

২০১০-এর চেয়ে ২০২৫ সালে বঙ্গোপসাগরে মিলবে পাঁচগুণ বেশি প্লাস্টিক

  • বিশ্বজুড়ে পরিবেশের বড় এক হুমকির নাম প্লাস্টিক দূষণ
  • এই দূষণের বড় এক ভুক্তভোগী দক্ষিণ এশিয়া
আপডেট : ০৬ মার্চ ২০২৪, ০৯:২৬ এএম

২০১০ সালের চেয়ে ২০২৫ সালে বঙ্গোপসাগরে পাঁচগুণ বেশি প্লাস্টিক পাওয়া যাবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা সমুদ্রে প্লাস্টিকের তীব্র দূষণ ঘটেছে বলেও শঙ্কা জানান।

সম্প্রতি “এসডিজি ক্যাফে” শিরোনামে আয়োজিত এক মাসিক সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা জানান।

ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) প্রতিষ্ঠাতা ড. শাহরিয়ার হোসেন এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

দূষণের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সমস্যা সমাধানের উপায় নিয়েও আলোকপাত করেন তিনি। ড. শাহরিয়ার সামুদ্রিক বর্জ্য ও মাইক্রো-প্লাস্টিক দূষণ সম্পর্কিত ইউএনইপির বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য। তিনি মার্কারি-ফ্রি ডেন্টিস্ট্রির জন্য ওয়ার্ল্ড অ্যালায়েন্সের নির্বাহী ভাইস-প্রেসিডেন্টও।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, “সবার সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আমরা মূল সমস্যা মোকাবিলা করতে পারি। এজন্য প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবহার কমাতে হবে।”

“এসডিজি ক্যাফে”-এর চতুর্থ সভায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি এস ১২ ও ১৪) এর অংশ হিসেবে এ আলোচনার মূল বিষয় ছিল “সামুদ্রিক পরিবেশে প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: প্রভাব ও সমাধান।”

বিশ্বজুড়ে পরিবেশের বড় এক হুমকির নাম প্লাস্টিক দূষণ। আর এই দূষণের বড় এক ভুক্তভোগী দক্ষিণ এশিয়া।

জলাশয়ে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণের জন্য বিশ্বে ষষ্ঠ স্থানে থাকা বাংলাদেশ পরিবেশগত বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।

এজন্য ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি-১২ ও এসডিজি-১৪ অর্জনে পরিবেশগত এই সঙ্কট জরুরি সমাধানের প্রতি জোর দেন বক্তারা।

বাংলাদেশে ইউএনওপিএসের কান্ট্রি ম্যানেজার সুধীর মুরালিধরন দূষণের অবস্থা অনুধাবন করে সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

তিনি বলেন, “প্লাস্টিক দূষণ শুধু পরিবেশ নয়, বরং খাদ্য নিরাপত্তা, মানব স্বাস্থ্য, উপকূলীয় পর্যটন ও জলবায়ু পরিবর্তনের জন্যও বড় ক্ষতিকর ভূমিকা রাখে।।”

তিনি আরও বলেন, “প্লাস্টিক দূষণের কারণে সারা বিশ্বই সঙ্কটের মুখে। দক্ষিণ এশিয়া বার্ষিক ৩৩৪ মিলিয়ন টন কঠিন বর্জ্য নিঃসরণ করে। এরমধ্যে ৭০%-৮০% আমাদের জলাশয়ে চলে যায়। যার মধ্যে ১২% প্লাস্টিক বর্জ্য। ফলে এই বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।।”

তিনি বলেন, “নদী ও খালে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে।।”

ইউএনওপিএস দক্ষিণ এশিয়া মাল্টি-কান্ট্রি অফিসের পরিচালক চার্লস ক্যালানান প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলায় অবিলম্বে জোর দেন। তিনি বলেন, “বছরে ৮ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক সমুদ্রে প্রবেশ করে। এসব সমস্যা সমাধানে এসডিজি ক্যাফের মতো আলোচনা ও সহায়তা দরকার।।”

এসডিজি ক্যাফের এসব আলোচনায় দেশের সংশ্লিষ্ট নানা বিশেষজ্ঞ ও দায়িত্বপ্রাপ্তরা অংশ নিচ্ছেন।

   

About

Popular Links

x