Tuesday, September 08, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক পদ থেকে ৯ জনের পদত্যাগ

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পদত্যাগ করেছেন ওই শিক্ষক-কর্মকর্তারা

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ১১টি প্রশাসনিক পদ থেকে ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তারা পদত্যাগ করেন।

পদত্যাগকারীদের মধ্যে পাঁচটি আবাসিক হলের প্রভোস্ট, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার, শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের পরিচালক এবং দুটি অতিথিশালার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রয়েছেন। জানা গেছে, পদত্যাগকারীরা সবাই বিএনপিপন্থি শিক্ষক সংগঠন সাদা দলের সঙ্গে যুক্ত।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তারা। এরপর উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় তারা উপাচার্যের অপসারণের দাবি জানান।

পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন—এমএজি ওসমানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. কাউছার হোসেন, শহীদ জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ মিয়া, হযরত শাহজালাল (রহ.) হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হক, হযরত শাহপরাণ (রহ.) হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন এবং দূররে সামাদ রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান মজুমদার।

এ ছাড়া, ঢাকা গেস্ট হাউজের অফিসার ইনচার্জ মো. বাসির উদ্দিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক গাজী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ নেয়ামত উল্যাহ এবং অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার মো. আশরাফুজ্জামান পদত্যাগ করেছেন।

এর মধ্যে গাজী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের পাশাপাশি ক্যাম্পাস গেস্ট হাউজের অফিসার ইনচার্জ এবং মো. বাসির উদ্দিন ঢাকা গেস্ট হাউজের অফিসার ইনচার্জের পাশাপাশি ডেপুটি রেজিস্ট্রারের দায়িত্বে ছিলেন।

পদত্যাগকারীদের অভিযোগ, বর্তমান উপাচার্যের সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম হয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন সময়ে বদলি, শোকজ ও হয়রানি করা হচ্ছে। ন্যূনতম যোগ্যতা পূরণ না করা ব্যক্তিদেরও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। 

এদিকে, শিক্ষকদের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করে উপাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি পক্ষ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে এসব ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অভিযোগ তুলছে। যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা সবাই যোগ্যতাসম্পন্ন। কোনো নিয়োগে অনিয়ম হয়নি এবং কোনো ধরনের দুর্নীতিও করা হয়নি।

   

About

Popular Links

x