ঘরে ঘরে এখন ডায়াবিটিসের রোগী। আর এই রোগের সঙ্গে লড়াইটা কিন্তু সহজ নয়। রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখা এবং হার্টকে সুরক্ষিত রাখতে এটি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা খুবই জরুরি। উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত শর্করা এবং কোলেস্টেরলের কারণে ডায়াবিটিস রোগীদের হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই এই ঝুঁকি কমাতে লাইফস্টাইলে পরিবর্তন আনতে হবে এবং ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।
তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক ডায়াবেটিস থাকলে যেভাবে হার্টের যত্ন নেবেন।
রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা
রক্তে শর্করা ঠিক রাখা স্বাস্থ্য এবং হৃদরোগ প্রতিরোধের জন্য অপরিহার্য। রক্তে উচ্চ শর্করা রক্তনালীর ক্ষতি এবং জটিলতা তৈরি করে। ঘন ঘন গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করার জন্য এবং ওষুধ বা খাদ্যতালিকায় প্রয়োজনীয় সমন্বয় করার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে নিন।
হৃদরোগ-প্রতিরোধী খাবার
ডায়াবিটিস এবং হৃদরোগের স্বাস্থ্য উভয় ক্ষেত্রেই পুষ্টি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই উপযুক্ত খাবার খাওয়া খুবই জরুরি। স্টার্চবিহীন শাকসবজি, ব্রকলি এবং বেরি খেতে পারেন। গোটা শস্য খাবেন ওটমিল, কুইনোয়া এবং গোটা শস্যের রুটি। এছাড়াও স্বাস্থ্যকর চর্বির মধ্যে অ্যাভোকাডো, বাদাম, বীজ এবং অলিভ অয়েলও খেতে পারেন। লো প্রোটিন হিসেবে যেমন- মুরগি, মাছ, বিন এবং টোফু খেতে পারেন। অন্যান্য বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ট্রান্স ফ্যাট এবং প্রক্রিয়াজাত শর্করা, যা কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় এবং শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে।
শারীরিকভাবে নিজেকে সক্রিয় রাখুন
ব্যায়াম রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখতে, ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রতি সপ্তাহে ১৫০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে মাঝারি তীব্রতার অ্যারোবিক কার্যকলাপে নিজেকে যুক্ত করতে পারেন। এছাড়াও হাঁটা, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানোর মতো সাধারণ ব্যায়ামও করতে পারেন। তবে কোনো নতুন ব্যায়ামের আগে ডাক্তার কিংবা ফিটনেস বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে কখনো ভুলবেন না।



