Monday, October 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ইসরায়েলে আরও সেনা ও যুদ্ধবিমান পাঠানোর প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য সামরিক উত্তেজনা মোকাবিলায় ইসরায়েলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরও সেনা ও যুদ্ধবিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম।

শনিবার (৩ অক্টোবর) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াল্লা নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানায়, বর্তমানে ইসরায়েলজুড়ে প্রায় ৩ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। তাদের কেউ বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পরিচালনা করছেন, কেউ বিমান পরিচালনার কাজে যুক্ত। এ ছাড়া সামরিক সরঞ্জাম ও রসদ সরবরাহ এবং সামরিক সদর দপ্তরে সরাসরি সমন্বয়ের দায়িত্বও পালন করছেন তারা।

গত কয়েক সপ্তাহে নিয়মিতভাবে মার্কিন সেনা ইউনিটের রদবদল হয়েছে। তবে প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিগগিরই নতুন সেনাসদস্য ও যুদ্ধবিমান ইসরাইলে পৌঁছাবে। এর মাধ্যমে দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান সামরিক সক্ষমতা আরও জোরদার করা হবে।

ওয়াল্লাকে ইসরাইলের এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, আঞ্চলিক প্রতিপক্ষরা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তারা সরাসরি যুদ্ধ শুরু না করেই আঞ্চলিক ভারসাম্য অস্থিতিশীল করার উপায় খুঁজছে।

ওই কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেন, "তারা বুঝতে পারছে, এবার ইসরাইলের জবাব অত্যন্ত আগ্রাসী হবে।"

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) মধ্যে সামরিক পরিকল্পনা অব্যাহত রয়েছে। নতুন করে ইরান থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলে সম্ভাব্য পালটা হামলা এবং ইরানের অভ্যন্তরে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ নিয়েই মূলত এই পরিকল্পনা চলছে।

এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি কূটনৈতিক সমাধানের বিষয়ে তেহরানের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তেহরানে বিদেশি দূতদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি জানান, কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনো খোলা রয়েছে।

গত সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে কাতারের মধ্যস্থতায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য সাতটি শর্তের কথা যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছিল তেহরান। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই শর্তগুলো প্রত্যাখ্যান করেন।

একই সময়ে ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তারা মনে করছেন, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে চলমান লড়াই উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা অংশীদারত্বে পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষ করে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ার বিষয়টি তারা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন।

ইসরায়েলের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, যারা এখনই হুথিদের মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হবে, পরবর্তী সময়ে তাদের একাই হামলার মুখোমুখি হতে হতে পারে।

   

About

Popular Links

x