Saturday, October 10, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘সিজেপির বিক্ষোভ ঠেকাতে দেশে কালো জরুরি অবস্থা জারি’

মতবিনিময় সভায় এ অভিযোগ করেন দিল্লির সাবেক ক্ষমতাসীন দল এএপির বিধায়ক গোপাল রায়

আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২২ পিএম

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচি ঠেকাতে রাজধানী নয়াদিল্লি ও আশপাশের এলাকায় কেন্দ্রীয় সরকার ‘কালো জরুরি অবস্থা’ জারি করেছে বলে অভিযোগ করেছে আম আদমি পার্টি (এএপি)। দলটি অবিলম্বে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগও দাবি করেছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এ অভিযোগ করেন দিল্লির সাবেক ক্ষমতাসীন দল এএপির বিধায়ক গোপাল রায়। সিজেপির দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে তিনি বলেন, "কেন্দ্রীয় সরকার সিইসি জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে দেশে এক 'কালো জরুরি অবস্থা' জারি করেছে। আজ জ্ঞানেশ কুমারকে রক্ষা করতে তারা নয়াদিল্লিকে একটি সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত করেছে। কিন্তু কেন্দ্রের মনে রাখা উচিত, যতই বাহিনী মোতায়েন করুন না কেন, এই আন্দোলন দমন করা যাবে না।"

এএপির দিল্লি শাখার সভাপতি সৌরভ ভরদ্বাজ বলেন, ‘‘আন্দোলনকারীরা কেবল অহিংস উপায়ে নিজেদের দাবি তুলে ধরতে চান। কিন্তু বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করায় সেখানে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।’’

এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, "জোর করে 'জেন-জি' বা বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের চুপ করিয়ে রাখা যায় না। তারা আমাদেরই তরুণ সমাজ। তাদের সঙ্গে কথা বলুন, আলোচনা করুন। বিজেপি সরকার দেখাতে চায় যে আমরা একটি ভীতু জাতি। কিন্তু আমরা তা নই; আমরা অহিংসা এবং ভারতের সংবিধানে বিশ্বাসী।"

কথিত ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার সকাল ১০টায় নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সিজেপি। দিল্লি পুলিশ এ কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি। তবে পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নির্ধারিত সময়েই কর্মসূচি শুরু করার ঘোষণা দিয়েছিল দলটি।

বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানীতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৫ হাজারের বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। দিল্লির বিভিন্ন স্থানে বসানো হয়েছে ৩০০টির বেশি ক্যামেরা। এ ছাড়া নয়াদিল্লির ৫৭টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও বহির্গমন বন্ধ এবং দিল্লিগামী ২৫০টি ট্রেনের চলাচল বাতিল করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে চলা অভিযানে নয়াদিল্লি ও আশপাশের এলাকা থেকে এক হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সিজেপির তিন শীর্ষ সংগঠক অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা, দলের আইন শাখার প্রধান রত্না সিং এবং ইউটিউবার ও ইনফ্লুয়েন্সার ধ্রুব রাঠী রয়েছেন।

শুক্রবার এএপির সর্বভারতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানান, তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা সিজেপির বিক্ষোভে অংশ নেবেন। একই সঙ্গে তরুণদেরও তার সঙ্গে বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

   

About

Popular Links

x