Saturday, August 29, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ঢাকায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা 

ইসলামি ঐক্য প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের আহ্বান

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও ইসলামি ঐক্য সপ্তাহ (১২-১৭ রবিউল আউয়াল) উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে ঢাকাস্থ ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও বাংলাদেশ ইমামিয়া ওলামা সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। 

‘মহানবীর আগমন: হেদায়েত ও ঐক্যের আলোকবর্তিকা’ শীর্ষক আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জালিল রাহিমি জাহানাবাদী। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও আল-কুদস কমিটি বাংলাদেশের সভাপতি ড. শাহ কাওসার মুস্তফা আবুল উলায়ী ও ঢাকাস্থ ইরানের আল মোস্তফা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশ প্রতিনিধি হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন শাহাবুদ্দিন মাশায়েখি রাদ। 

প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজধানীর গাওসুল আজম জামে মসজিদের খতিব ও শাইখুল হাদিস মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক। 

খুলনা ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রের প্রিন্সিপাল ও বাংলাদেশ ইমামিয়া ওলামা সোসাইটির সভাপতি হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন সাইয়্যেদ ইব্রাহিম খলিল রাজাভীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকাস্থ ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কালচারাল কাউন্সেলর ড. মাহদি মৌলায়ী অরনি। 

সভায় বক্তারা বলেন, আইয়ামে জাহেলিয়ার যুগে আরবে মানবতা যখন বিপন্ন হয়ে পড়েছিল, তখন মহান আল্লাহ তায়ালা মক্কার কুরাইশ বংশে মানবতার মুক্তির দূত হিসেবে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে প্রেরণ করেন। তিনি অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীর মানুষকে মুক্তির দিশা দেখিয়েছেন এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি ছিলেন, সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমতস্বরূপ। 

পবিত্র কোরআনে রাসুল (সা.)-কে ‘রাহমাতুল্লিল আলামীন’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ তিনি সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রেরিত পূর্ণাঙ্গ রহমতস্বরূপ। মহানবী (সা.) ছিলেন সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী। তার চারিত্রিক মাধুর্য, সততা ও মানবিক গুণাবলি মানুষকে আকৃষ্ট করেছে। তার আদর্শ ও নেতৃত্বের মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ইসলামের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল।

বক্তারা আরও বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আদর্শ। তার জীবন ও শিক্ষা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হলে মুসলমানদের মধ্যকার বিভেদ ও দ্বন্দ্ব অনেকাংশে দূর করা সম্ভব। মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই মুসলিম উম্মাহ ঐক্য, শান্তি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে পারে। 

   

About

Popular Links

x