Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

পানিরোধী ‘গ্যালাক্সি’ ফোনের মিথ্যে দাবি, স্যামসাংকে জরিমানা

দক্ষিণ কোরিয়ান মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের জুলাইয়ে সর্বপ্রথম মামলা দায়ের করা হয়েছিল

আপডেট : ২৩ জুন ২০২২, ০৪:১১ পিএম

দক্ষিণ কোরীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা স্যামসাং নিজেদের কয়েকটি ফোনের মডেলকে পানিরোধী হিসেবে দাবি করে আসছে বহুদিন ধরেই। তবে বিষয়টিকে মিথ্যে এবং বিভ্রান্তিকর হিসেবে উল্লেখ করে স্যামসাং অস্ট্রেলিয়াকে ৯৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার (১ কোটি ৪০ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার) জরিমানা করেছেন দেশটির একটি আদালত।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ কথা জানায়।

অস্ট্রেলিয়ান কম্পিটিশন অ্যান্ড কনজিউমার কমিশন (এসিসিসি) জানায়, গ্যালাক্সি মডেলের কয়েকটি হ্যান্ডসেটের পানিরোধী ক্ষমতা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর দায় স্বীকার করেছে স্যামসাং। দক্ষিণ কোরিয়ান মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের জুলাইয়ে সর্বপ্রথম মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি আরও জানায়, ২০১৬ সালের মার্চ থেকে ২০১৮ সালে অক্টোবরের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং কয়েকটি আউটলেটে চালানো প্রচারণায় নির্দিষ্ট কয়েকটি মডেলের ফোনকে পানিরোধী হিসেবে দাবি করে স্যামসাং জানায়, স্মার্টফোনগুলো সুইমিংপুল বা সমুদ্রের পানিতেও ব্যবহার উপযোগী।

পরবর্তীতে গ্যালাক্সি মডেলের ওই স্মার্টফোনগুলো নিয়ে এসিসিসির কাছে অসংখ্য অভিযোগ পাঠান ভোক্তারা। সেখানে তারা দাবি করেন, পানির সংস্পর্শে আসার পর থেকে ঠিকমতো কাজ করছে না। এমনকি কয়েকটি হ্যান্ডসেট একদম অকেজো হয়ে যাওয়ার অভিযোগও জানান ব্যবহারকারীরা।

এসিসিসির চেয়ার জিনা ক্যাস-গোতলিয়েব বলেন, “গ্যালাক্সি মডেলের ফোনগুলোর জনপ্রিয়তা আর প্রচুর বিক্রি হওয়ার পেছনে পানিরোধী হওয়ার দাবিটি অন্যতম বড় কারণ ছিল। গ্যালাক্সি মডেলের ওই স্মার্টফোনগুলো কেনার আগে ভোক্তাদের অনেকেরই  বিভ্রান্তিমূলক বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা দেখে প্রভাবিত হয়ে থাকার সম্ভাবনা আছে।”

তবে স্যামসাং অস্ট্রেলিয়া একটি বিবৃতিতে দাবি করেছে, নতুন এবং বর্তমান মডেলগুলোর ক্ষেত্রে এ সমস্যা দেখা যায়নি। এসিসিসি এবং স্যামসাং যৌথভাবে জানায়, ২০১৮ সালের মার্চ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় উন্মুক্ত হওয়া স্মার্টফোনগুলোর নতুন মডেলগুলোতে অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফলে পানির সংস্পর্শে এলেও স্মার্টফোনগুলোর কোনো ক্ষতি হয়নি।

About

Popular Links