বাংলাদেশের জনবহুল রাজধানী ঢাকা মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল ৮টার দিকে একিউআই স্কোর ১৮৬ নিয়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। একিউআই সূচক অনুযায়ী, আজকের বাতাসকে “অস্বাস্থ্যকর” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এ সময় ইরাকের বাগদাদ, ভারতের দিল্লি ও পাকিস্তানের করাচি যথাক্রমে ২৪৬, ২৪৪ ও ২২১ একিউআই স্কোর নিয়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
বায়ুদূষণের পরিস্থিতি নিয়মিত তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা এই লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় ও সতর্ক করে।
ঢাকার আজকের এই বায়ু যেকোনো মানুষের জন্যই ক্ষতিকর। আইকিউএয়ার-এর মতে, আজ ঢাকা ও আশপাশের পাঁচটি স্থানে দূষণ বেশি। এ স্থানগুলোর মধ্যে আছে ইস্টার্ন হাউজিং ২, সাভারের হেমায়েতপুর, গুলশান-২–এর রব ভবন, ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এবং আগা খান একাডেমি।
যখন কণা দূষণের একিউআই মান ৫০ থেকে ১০০ এর মধ্যে থাকে তখন বায়ুর গুণমানকে “মাঝারি” বলে বিবেচনা করা হয়। একিউআই সূচক ১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে “সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর” হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ সময় সাধারণত সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় ধরে বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে হলে “অস্বাস্থ্যকর” হিসেবে বিবেচিত হয়, ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে হলে “খুব অস্বাস্থ্যকর” বলে মনে করা হয়। এছাড়া ৩০১ এর বেশি হলে “বিপজ্জনক” হিসেবে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান উপাদান হলো বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা বা পিএম ২.৫-এর উপস্থিতি। আজ ঢাকার বাতাসে এর উপস্থিতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মানমাত্রার চেয়ে ২০% বেশি।
বায়ুদূষণ থেকে রক্ষা পেতে আইকিউএয়ারের পরামর্শ, ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। খোলা স্থানে ব্যায়াম করা যাবে না এবং ঘরের জানালা বন্ধ রাখতে হবে।



