মাগুরায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার আট বছরের শিশুটি এখনও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছে। শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে ঘটনার তিন দিনেও মামলা হয়নি। পুলিশ বলছে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে ভুক্তভোগীর বোনের স্বামী সজিব হোসেন (১৮) ও বোনের শ্বশুর হিটু মিয়াকে (৪২) আটক করেছে পুলিশ।
মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আয়ুব আলী শনিবার বলেন, “মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। হিটু মিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। আর সজীবকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে।”
মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিরাজুল ইসলাম বলেন, “ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় থাকায় মামলা রেকর্ড কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে। তার বোন ঢাকা থেকে এসেছেন। মা–বাবা ঢাকায় শিশুর কাছে অবস্থান করছেন। তবে এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন সন্দেহে ভুক্তভোগী শিশুর বোনের স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি ও ভাশুর পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।”
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, শনিবার সকালে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিশুটি ঢাকায় শুক্রবার রাত থেকে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। তার অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিশুটিকে প্রথমে মাগুরা সদর হাসপাতালে এবং পড়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য শুক্রবার সকালে ঢাকায় পাঠানো হয়।
মেয়েটির মা জানান, মেয়ের এখনও জ্ঞান ফিরেনি। ঘটনার সময় বাড়িতে সে একাই ছিল। এ কারণে কে তাকে ধর্ষণ করেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারছেন না তারা।



জ্ঞান ফেরেনি মাগুরায় ‘ধর্ষণের শিকার’ সেই শিশুটির, পাশে বসে কাঁদছেন মা
বিয়ের আশ্বাসে একজনকে ধর্ষণ করে অন্যজনকে বিয়ে, বাসর রাতে যুবক গ্রেপ্তার