সিলেট-মদিনা সরাসরি হজ ফ্লাইট উদ্বোধন হয়েছে। রবিবার (৩ মে) রাত ১টা ২৫ মিনিটে ৪১৯ জন যাত্রী নিয়ে জাতীয় পতাকাবাহী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট (বিজি-৫৩৭) মদিনার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
এর আগে, রবিবার রাত সাড়ে ৯টায় সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের ডিপারচার লাউঞ্জে এ ফ্লাইটের উদ্বোধন করেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে মন্ত্রী হজে গিয়ে দেশের জন্য দোয়া করতে হজযাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানান।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সিলেট জেলা ব্যবস্থাপক (ডিএম) মো. শরীফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, “নির্বাচিত সরকার হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে- মানুষের সেবা করা। এর অংশ হিসেবে সরকার বোয়িং থেকে ১৪টি এয়ারক্রাফট ক্রয় করছে। বিমানবহরে আরো ফ্লিট যুক্ত হবে। জাতীয় পতাকাবাহী বিমান যেন ক্যারিয়ার হিসেবে ভালো রুল প্লে করতে পারে- সেটাই আমাদের লক্ষ্য।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. ইনামুল হক চৌধুরী বলেন, “হাজীদের বিদায় দেয়া একটি বড় নেয়ামত। হজ শেষে হাজীরা অনেকটা নিষ্পাপ হয়ে দেশে ফেরেন।”
সরকার হজযাত্রীদের কল্যাণে আন্তরিক বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ওসমানী বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ।
এ সময় সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ভাইস চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান সেলিম, হাব সভাপতি আব্দুল হক, সেক্রেটারি আব্দুল কাদির, আটাব-এর সাবেক সভাপতি রেজওয়ান আহমদ, সিপার এয়ারলাইন্সের স্বত্বাধিকারী খন্দকার সিপার আহমদ, লতিফ ট্রাভেলসের পরিচালক আজহারুল কবির চৌধুরী শিরু, ট্রাভেল অনের গিয়াস উদ্দিন আমজাদ, নিরবাস ট্রাভেলসের মাওলানা আহমদ বিলালসহ বিমান , সিভিল এভিয়েশন ও হাব নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরে মোনাজাত পরিচালনা করেন দরগাহে হযরত শাহজালাল (র.) মসজিদের ইমাম হাফিজ মাওলানা আসজাদ আহমদ।
প্রসঙ্গত, এবার সিলেট থেকে সবমিলিয়ে ৭টি ফ্লাইট অপারেট হবে। এর মধ্যে কেবল রবিবারের ফ্লাইট মদিনায় এবং বাকি ফ্লাইটগুলো জেদ্দা কিং আব্দুল আজিজ বিমানবন্দরে যাবে। বাকি ফ্লাইটগুলো সিলেট-জেদ্দা রুটে অপারেট হবে।