রাজধানীতে নিজ বাসার কাছে দুপুর বেলা দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত হয়েছেন ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ইয়াছিন খান পলাশ। কারাগার থেকে বের হওয়ার এক মাসের মাথায় তিনি গুলিবিদ্ধ হলেন।
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুর পৌনে ২টার দিকে রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনের উল্টো দিকে নিজের বাসার কাছে পলাশ হামলার শিকার হন।
পুলিশ জানিয়েছে, পলাশকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। ইয়াছিন খান পলাশ (৫০) ‘কাইল্লা পলাশ’ নামে পরিচিত। পুলিশের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’র তালিকায় একসময় তার নাম ছিল।
রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “শুক্রবার দুপুরে নামাজ পড়ে বাসায় ফিরছিলেন পলাশ। রামপুরার রয়েল মিষ্টির দোকানের সামনে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। তার মাথায় দুটি গুলি লাগে।”
গুলিবিদ্ধ পলাশকে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করে বিকেলে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। পলাশের বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী ইব্রাহিম মিয়া হাসপাতালে সাংবাদিকদের জানান, এক যুবক পলাশের মাথায় গুলি করে কিছু দূরে থাকা একটি মোটরসাইকেলের পেছনে উঠে শূন্যে গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যান।
ইব্রাহিম আরও জানান, পলাশ এক মাস আগে কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। পলাশের বাবার নাম ইউনুস খান। তাদের বাড়ি রাজধানীর পশ্চিম রামপুরায়।
প্রসঙ্গত, ইয়াসিন খান পলাশ যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান হত্যা মামলায় দণ্ডিত ছিলেন। ২০০২ সালের ২৯ মে রামপুরায় মিজানকে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। এ মামলায় বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন পলাশকে। পরে উচ্চ আদালত তার সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।