সাংবাদিক গ্রেপ্তারের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের

জাতীয় একটি দৈনিকের প্রকাশক-সম্পাদকসহ ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দুঃখ প্রকাশ করে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।

‍একইসঙ্গে নিজের বা পরিবারের সদস্যদের নামে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণ না করার অনুরোধ জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি ডিও লেটার (আধা সরকারি পত্র) দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে প্রতিমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপিকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপতথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে। এর প্রেক্ষিতে সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ, প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে বা তার পক্ষে কেউ যেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে কোনো মামলা, বিবৃতি বা অন্যকোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করেন। এ ধরনের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রীর কোনো অনুমোদন বা নির্দেশনা নেই।

সম্প্রতি দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের প্রকাশক-সম্পাদকসহ ছয় সাংবাদিককে নিয়ে উদ্ভুত ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি আশা করেন, সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ পারস্পরিক আলোচনা ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছাবেন এবং গ্রেপ্তার সাংবাদিক দ্রুত মুক্তি পাবেন।

এছাড়া, যেহেতু মামলার বাদীও একজন সাংবাদিক ও বগুড়া প্রেসসক্লাবের নির্বাচিত কোষাধ্যক্ষ। তাই এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মহান পেশায় কর্মরত সাংবাদিক সমাজের দু’পক্ষের মধ্যে কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি বা উত্তেজনা সৃষ্টি না হয়, সেদিকে সবাইকে সংযম ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী তার সম্পর্কে প্রচারিত বিভিন্ন অপতথ্য নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের জন্য সম্মানিত সাংবাদিকদের প্রতি আন্তরিক অনুরোধ জানিয়েছেন।

এদিকে, নিজের বা পরিবারের সদস্যদের নামে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণ না করার অনুরোধ জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি ডিও লেটার (আধা সরকারি পত্র) দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, তার বা পরিবারের সদস্যদের নামে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব যেন গ্রহণ বা অনুমোদন না করা হয়। একই সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পূর্বের নাম ও পরিচিতি সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।