রাজধানীর সবুজবাগে পূর্বশত্রুতার জেরে পলাশ (৩৬) নামে এক ওয়ার্ড বিএনপির কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজারবাগ পানির পাম্পসংলগ্ন একটি গলিতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশকে প্রথমে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে রাত ১০টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বন্ধু মো. হিরার অভিযোগ, পলাশ আগে ভাড়ায় গাড়ি চালালেও বর্তমানে বেকার ছিলেন এবং সবুজবাগ ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কর্মী হিসেবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার দাবি, এলাকার মাদক কারবারি ও রিকশা চোর হিসেবে পরিচিত রয়েল এবং তার সহযোগীরা পানির পাম্পের গলিতে পলাশের ওপর হামলা চালায়। হামলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পলাশের দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়।
হিরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ আগে রিকশা চুরির অভিযোগে সবুজ নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছিল। পরে রয়েল তাকে ছাড়িয়ে নেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পলাশের সঙ্গে রয়েলের কথা-কাটাকাটি হয়। তাদের ধারণা, সেই বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
ঢামেক হাসপাতালে নিহতের বোন জোসনা আক্তার জানান, তাদের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার সোনাপুর গ্রামে। পলাশ সবুজবাগের মাদারটেক চৌরাস্তা এলাকায় বসবাস করতেন এবং প্রায় ছয় মাস আগে বিয়ে করেছিলেন। কিছুদিন আগে রয়েল নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তার মারামারির ঘটনা ঘটলেও হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন।
এ বিষয়ে সবুজবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুর রহমান বলেন, "সবুজবাগ এলাকায় একজন নিহত হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ কাজ করছে এবং হত্যার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।"