দেশে খাদ্য পরিবেশনকারী প্রতিষ্ঠান প্রায় সাড়ে চার লাখ। এর মধ্যে হোটেল রেস্তোরার ও চা-স্টলও আছে। ফার্স্ট ফুডের দোকান আছে প্রায় ৬৭ হাজার। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সবশেষ হিসেব অনুযায়ী এ তথ্য পাওয়া গেছে।
গত ১৬ জুলাই এসব ছোট ও মাঝারি পর্যায়ের খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনতেহবে, আর বিশেষ বা গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্য নিয়ে যারা কাজ করে তাদের লাইসেন্সও নিতে হবে বলে একটি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
২০২৪ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকায় বিক্রি হওয়া জনপ্রিয় বিভিন্ন স্ট্রিট ফুডে উদ্বেগজনক মাত্রায় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি রয়েছে।
দেশে লাখ লাখ ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকান আছে। বুধবার (২৯ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে বিপুল সংখ্যক মানুষ নাশতা কিংবা দুপুরের খাবারের জন্য ফুটপাতের খাবারের দোকানের ওপর নির্ভর করেন। এমনও দোকান আছে যেগুলো ফুটপাতেই চুলা বসিয়ে রান্না করে খাবার বিক্রি করে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ভ্রাম্যমাণ ভ্যানে ফার্স্ট ফুডের কত দোকান আছে তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড অ্যান্ড রিসার্চ ল্যাবরেটরির প্রধান বিজ্ঞানী ড. লতিফুল বারীকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দোকানের খাবার কীভাবে ও কোন ধরনের উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি হয় সেটি দেখভালের কোনো সিস্টেমই দেশে গড়ে ওঠেনি বলে দাবি খাদ্য গবেষকদের। এগুলোর খাদ্য নিরাপদ কি না তা যাচাইয়ের সক্ষমতা সরকারের নেই।
তবে বিধিমালাটি হওয়ায় এগুলো এখন একটা কাঠামোর ভেতর আসার বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন তিনি।