মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশি তরুণ তারা মিয়ার (১৯) মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে কুলাউড়ার চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে ভারতীয় পুলিশ কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে।
এ সময় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, পুলিশ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং নিহত তরুণের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। নিহত তারা মিয়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া বস্তির বাসিন্দা আব্দুল মালেকের ছেলে।
এরআগে, শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ৪টার দিকে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের মুরইছড়া সীমান্তবর্তী ভারতের মাগুরুলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
কুলাউড়া থানা পুলিশ ও বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার বিকেল ৫টায় মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চাতলাপুর চেকপোস্ট এলাকায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়। পরে নিহত তারার বড় ভাই রাজু মিয়া পরিবারের পক্ষে মরদেহ গ্রহণ করেন।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে চাতলাপুর স্থলবন্দর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পুলিশ কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে তারা মিয়ার মরদেহ হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিজিবির ৪৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশি তরুণ তারা মিয়া নিহত হওয়ার এই অনভিপ্রেত ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিএসএফ কর্মকর্তাদের কাছে কড়া বার্তা পাঠানো হয়েছে। পতাকা বৈঠক শেষে আইনগত প্রক্রিয়া মেনে মরদেহ স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়।”