অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ‘পর্নোগ্রাফি’ কনটেন্ট তৈরি, প্রচার এবং তা বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামের এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার ও তার সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
একই সঙ্গে অনৈতিক এই কাজে সায় দেওয়া এবং অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও সংশ্লিষ্ট মামলায় আসামি করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. তরিকুল ইসলাম।
ডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ১১ আগস্ট সকাল ১০টা ২০ মিনিটে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এফ ব্লকের আফরোজা বেগম রোডের একটি বাসা থেকে সুমাইয়া সাঈদকে গ্রেপ্তার করে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আইফোন ও একটি ওয়ানপ্লাস ১৩আর স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে বাড্ডা লিংক রোড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকেও একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।
ডিবি আরও জানায়, এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুইজনসহ মোট ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ডিএমপির রমনা থানায় ‘পর্নোগ্রাফি’ নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুব্রত দাশ।
মামলায় সুমাইয়া সাঈদের বাবা মো. আবু সাঈদকেও আসামি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মেয়ের অনৈতিক কার্যক্রম সম্পর্কে জেনেও তার উপার্জনে সম্মতি দেন এবং অর্থ গ্রহণ করেন।