আগামীকাল বুধবার (২৬ আগস্ট) সারা দেশে পালিত হবে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। দিনটি সরকারি সাধারণ ছুটি।
ফলে সরকারি চাকরিজীবী, ব্যাংকার ও অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ছুটি পাবেন। তবে বেসরকারি অফিস, কারখানা, দোকান, শপিংমল কিংবা জরুরি সেবায় কর্মরত সবার জন্য একই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
প্রতিষ্ঠানের ধরন ও নিজস্ব ছুটির তালিকার ওপর নির্ভর করবে কে ছুটি পাবেন আর কাকে কাজে যেতে হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের ছুটির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক দিনের সাধারণ ছুটি রয়েছে।
সরকারি ও আধা-সরকারি অফিসের পাশাপাশি সংবিধিবদ্ধ, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় এ ছুটি প্রযোজ্য।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৬ সালের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২৬ আগস্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এদিন সাধারণ ব্যাংকিং লেনদেন হবে না। তবে এটিএম, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও কার্ডভিত্তিক ডিজিটাল সেবা সাধারণভাবে চালু থাকবে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের সংশোধিত শিক্ষাপঞ্জিতে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ছুটি রয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সংশোধিত ছুটির তালিকাতেও ২৬ আগস্ট ছুটি রাখা হয়েছে। ফলে সরকারি প্রাথমিক এবং মাউশির আওতাধীন সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এদিন পাঠদান বন্ধ থাকবে।
মাদ্রাসার শিক্ষাপঞ্জিতে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ২৬ ও ২৭ আগস্ট দুই দিনের ছুটি রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়, ইংরেজি মাধ্যম স্কুল ও নিজস্ব শিক্ষাপঞ্জিতে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নোটিশ দেখে ছুটির বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে।
সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করলেও দেশের সব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওই দিন বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ থাকবে, এমন নিয়ম নেই।
বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১১৮ ধারা অনুযায়ী, শ্রমিকরা বছরে পূর্ণ মজুরিতে ১৩ দিনের উৎসব ছুটি পাওয়ার অধিকারী। কোন কোন দিন এই ছুটি হবে, তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা মালিক নির্ধারণ করে।
এছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান নিজস্ব আইন-কানুন অনুযায়ী পরিচালিত অথবা যেসব চাকরি সরকার অত্যাবশ্যক হিসেবে ঘোষণা করেছে, সেসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনস্বার্থ বিবেচনায় নিজস্ব বিধি অনুযায়ী ছুটির সিদ্ধান্ত নেবে।
হাসপাতাল, আইনশৃঙ্খলা, অগ্নিনির্বাপণসহ জরুরি ও অত্যাবশ্যক সেবায় কর্মরতরা সাধারণ সরকারি অফিসের মতো সবাই একসঙ্গে ছুটি নাও পেতে পারেন। এসব ক্ষেত্রে রোস্টারের মাধ্যমে সেবা চালু রাখা হয়।