দুর্নীতির ১৫ মামলায় মির্জা আব্বাস খালাস

দীর্ঘ ১৯ বছর আগের করা ১৫টি মামলায় খালাস পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ‍ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তার বিরুদ্ধে ১৮টি পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি বরাদ্দে অনিয়ম করার অভিযোগে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

একইসঙ্গে এই ১৫টি মামলায় অন্য সব আসামিকেও খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এ রায় দেন।

মির্জা আব্বাসের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “১৫ মামলায় সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তবে বিচার চলাকালে তিন আসামি মারা গেছেন। রায়ে আমরা ন্যায় বিচার পেয়েছি।”

এর আগে, ২০০৭ সালের মার্চ মাসে সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় মামলা করে দুদক।

চারদলীয় জোট সরকারের আমলে সরকারি ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি সাজানো দরপত্র ডেকে অস্বাভাবিক কম দামে বিক্রির অভিযোগ আনা হয় মামলায়। ২০০৭ সালে ২০ সেপ্টেম্বর এই মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, সাজানো দরপত্রের মাধ্যমে এবং প্রকৃত দামের চেয়ে কম দাম দেখিয়ে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রি করে আসামিরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। এতে সরকারের ক্ষতি হয়েছে ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা।

অভিযোগপত্রে আরও ১৪ আসামির নাম যুক্ত করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সুবিধা আদায়ের অভিযোগ তোলা হয়। পরবর্তীতে আসামি মির্জা আব্বাসসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।