বগুড়ার ধুনটে প্রতিবেশির বিরুদ্ধে ১৪ বছর বয়সী এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা ধুনট থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাতে অভিযোগ পাওয়ার পর তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
অভিযোগে জানা গেছে, বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের উলুরচাপর গ্রামের এক দিনমজুরের দুই মেয়ের মধ্যে ছোটটি বাক প্রতিবন্ধী। গত ২২ আগস্ট দুপুরের দিকে মা তার দুই মেয়েকে নিয়ে গোসল ও কাপড় পরিষ্কার করতে নদীর ঘাটে যান। এক পর্যায়ে বড় মেয়ে তার ছোট বাকপ্রতিবন্ধী বোনকে বাড়িতে রেখে নদীর পাড়ে মায়ের কাছ যায়। বড় বোন কিছুক্ষণ পর বাড়িতে গিয়ে ছোট বোনকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে উলুরচাপর স্কুলের পশে মধুর দোকান সংলগ্ন একটি ঘরে তাকে বিবস্ত্র অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
পরিবারের অভিযোগে মধু (৫০) নামে এক ব্যক্তি প্রতিবন্ধী কিশোরীকে প্রলোভন দেখিয়ে সেখানে নিয়ে ধর্ষণ করেছেন। মধু গজারিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে উলুরচাপর গ্রামে নানার বাড়িতে বসবাস ও সেখানে দোকান পরিচালনা করেন।
এদিকে, বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনা জানাজানি হলে সামাজিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। এতে প্রতিবন্ধী কিশোরীর পরিবার রাজি হননি। নির্যাতনের শিকার কিশোরীর বাবা মঙ্গলবার রাতে ধুনট থানায় প্রতিবেশি মধুর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
ধুনট থানার ওসি আতিকুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া হাসপাতালে ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হচ্ছে।



