Tuesday, August 25, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

১১ বছরের শিশু অন্তঃসত্ত্বা

অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকের সঙ্গে মিলে গেলো নবজাতকের ডিএনএ

এরইমধ্যে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনটি জেলা পুলিশের হাতে পৌঁছেছে

আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০১:৪৪ পিএম

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়া ১১ বছর বয়সী শিশুটির নবজাতকের সঙ্গে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষকের ডিএনএর মিল পাওয়া গেছে। 

সোমবার (২৪ আগস্ট) নেত্রকোনা পুলিশ সুপার (এসপি) সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। এরইমধ্যে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনটি জেলা পুলিশের হাতে পৌঁছেছে। মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিলের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন পুলিশের হাতে পৌঁছায়। ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে অভিযুক্ত ওই মাদ্রাসা শিক্ষকের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার পর এই তথ্য জানা যায়।  

জানা যায়, অভিযুক্ত ওই শিক্ষক চার বছর আগে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা তার মাকে ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ায় জীবিকার তাগিদে মা সিলেটে একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ নেন। আর শিশুটি তার নানার বাড়িতে থেকে ওই মাদ্রাসায় লেখাপড়া করতো।

সম্প্রতি শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তার মা সিলেট থেকে বাড়ি এসে মেয়ের মধ্যে শারীরিক কিছু পরিবর্তন দেখতে পান। পরে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মেয়েটি তার শিক্ষক কর্তৃক নিয়মিত ধর্ষণের বিষয়টি মাকে খুলে বলে। পরে ১৮ এপ্রিল মদন পৌর শহরের একটি ক্লিনিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটি অন্তঃস্বত্ত্বা প্রমাণিত হয়। এরপর ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এরপর গত ৬ মে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে র‍্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে ১২ মে তাকে সিলেটের একটি সেফ হোমে রাখার নির্দেশ দেন আদালত। ১৭ মে আদালতের নির্দেশে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে ২ জুলাই একটি কন্যাশিশুর জন্ম দেয় ভুক্তভোগী শিশুটি। পরে গত ২৯ জুলাই আদালতের নির্দেশে নমুনা সংগ্রহ করা হয় নবজাতক ও তার মায়ের।

আসামি মাদ্রাসাশিক্ষক বর্তমানে কারাগারে আছেন। নবজাতকসহ শিশুটি সিলেটের সেফ হোমে রয়েছে।

   

About

Popular Links

x