রাজধানীর কদমতলী এলাকার একটি বাসার খাটের নিচ থেকে এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন তার স্বামী, যাকে হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) পাঠায় কদমতলী থানা পুলিশ।
নিহত ইয়ানুর (২৫) পটুয়াখালীর গলাচিপা থানার গোয়াবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কদমতলীর ডিপটির গলি এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর থেকে তার স্বামী জুয়েল রানার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর তিনি পালিয়ে গেছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।
নিহতের পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে কদমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুন্নাহার জানান, প্রায় তিন মাস আগে স্বামীর সঙ্গে ওই বাসায় ওঠেন ইয়ানুর। তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। বৃহস্পতিবার রাতে ইয়ানুরের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন তার মা ও ভাই, কিন্তু কোনো সাড়া পাননি। এরপর শুক্রবার সকালে ভাই তার বাসায় গিয়ে দরজা তালাবদ্ধ দেখতে পান।
এসআই কামরুন্নাহার আরও জানান, বাসার ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ইয়ানুরের ভাই দরজা ভেঙে প্রবেশ করেন। ভেতরে ঢুকে রক্তের দাগ দেখে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে খাটের নিচে বোনের নিথর দেহ দেখতে পান তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পলাতক স্বামী জুয়েল রানাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।