সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হুথিদের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন দুই বাংলাদেশি। এ হামলার ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২৪ জন। এরা রিয়াদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
বিবিসি বাংলা’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রিয়াদ ন্যাশনাল গার্ড হাসপাতালে দুই বাংলাদেশি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তারা হলেন, নওগাঁর রানীনগর উপজেলার মো. মোখলেসার রহমানের ছেলে সাফফাত রহমান এবং কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার মো. মহিব উল্লাহর ছেলে মো. দাউদুল ইসলাম।
তাদের মধ্যে সাফফাত রহমান এখনো অচেতন অবস্থায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রিয়াদের কিং আব্দুল্লাহ হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন তিন বাংলাদেশি।
তারা হলেন, ওমরাহ করতে যাওয়া ঢাকার কামরাঙ্গীরচরের হাফেজ হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের কাজী নুরুল্লাহ এবং সৌদি প্রবাসী কর্মী মো. ওমর ফারুক। দূতাবাসের কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে দেখা করে জানিয়েছেন, তিনজনের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।
রিয়াদ মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওমরাহ করতে যাওয়া ঢাকার লালবাগের মো. সাইদুল ইসলাম সৌরভ এবং মিরপুরের জনতা হাউজিং এলাকার আবুল মনসুর মোঃ রিয়াজ উদ্দীন।
ঢাকার ডেমরার মো. আব্দুল্লাহ প্রিন্স সুলতান মিলিটারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
সুলাইমান আলহাবিব হাসপাতালের তাখাসসুসি শাখায় তিন বাংলাদেশি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে ফয়সাল আহমদ, আব্দুল হক ও মোহাম্মদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওমরাহ করতে যাওয়া ঢাকার কামরাঙ্গীরচরের মো. মুজিবুল হকের ছেলে আরমান হোসেন।
কিংডম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন প্রবাসী কর্মী মো. রফিক মিয়া। কিং ফাহাদ মেডিকেল সিটিতে চিকিৎসা নিচ্ছেন মো. রায়হানুল ইসলাম, মো. মিসবাহ উদ্দীন হিরক ও ইসমাইল হোসেন।
প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ হাসপাতালে পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তারা হলেন, সালমা আক্তার, মো. শাহাদাত হোসেন, মোশাহিদ আহমেদ সৈকত, জাহিদ আহমেদ ও সোবহে সাদেক মো. শাহজাহান সরকার।
এস্টার সনদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন প্রবাসী কর্মী মো. আসাদুল ইসলাম ও মো. জামাল। সুলাইমান ফকিহ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন নাজমা আক্তার। আর সুলাইমান আলহাবিব হাসপাতালের আলসাহাফা শাখায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন উমায়ের ও আব্দুল্লাহ কামিল।