নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যবিভ্রাট ও সংশোধনী

দেশের স্বনামধন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ) সম্পর্কে কয়েকটি গণমাধ্যমে ভুল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ।

এ তথ্য বিভ্রাটের বিষয়ে এনএসইউ কর্তৃপক্ষের তাদের বক্তব্য তুলে ধরেছে। মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানায়-

- গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়ি কম মূল্যে বিক্রয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এনএসইউ বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে সব নিয়ম মেনে সর্বোচ্চ দর দাতা এর কাছে ১০টি গাড়ি ১৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

- প্রকাশিত সংবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ আনা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সব ধরনের নিয়োগ পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আবেদনপত্র সংগ্রহ ও প্রতিযোগিতামূলক মূল্যায়ন এবং যথাযথ নিয়ম মেনে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এখানে কোনো ব্যক্তির পক্ষে অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতি করা সম্ভব নয়।

- প্রকাশিত সংবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণের কথা বলা হয়েছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক মানের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য বিভিন্ন কমিটি রয়েছে, যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে।

- প্রকাশিত সংবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত বেতন আদায়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। যা কোনোভাবেই সত্য নয়। দেশের প্রথম সারির অন্যান্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় নর্থ সাউথ এর বেতন কোনোভাবেই বেশি নয়।

- নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ভর্তি ও বেতন প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন হয়। ভর্তি ও বেতন প্রক্রিয়ায় কোনো ব্যক্তির হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

উল্লিখিত অভিযোগগুলোকে ভ্রান্ত আখ্যা দিয়ে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে এনএসইউ কর্তৃপক্ষ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গণমাধ্যমে এ সংশোধনী পাঠায় তারা। যা হুবহু তুলে ধরা হলো ঢাকা ট্রিবিউনের পাঠকদের সামনে।