ঈদের দিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে অনশনে বসেছিলেন রানা প্লাজা ট্রাজেডিতে আহত শ্রমিকরা। ঈদের দ্বিতীয় দিন তারা রানা প্লাজার সামনে অনশন শুরু করেন।
রবিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল থেকে সাভারের রানা প্লাজার সামনে অনশন করছেন কয়েকজন আহত শ্রমিক।
তারা হলেন- নিলুফা ইয়াসমিন, শিলা বেগম, মাহমুদুর হাসান হৃদয়, এমদাদুল ইসলাম, নিলুফা বেগম, মাসুদা, বুলবুলী ও মো: আলাউদ্দিন।
অনশনরত শ্রমিকদের দাবি- রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের এক জীবনের আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ ও পুর্নবাসন, ওই দুর্ঘটনায় দায়ী সবার বিচারের ব্যবস্থা করা, সংস্কার করে দেশের শ্রম আইন শ্রমিকবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা এবং দেশের সব শিল্পখাতে আহত শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা ও সরকারি ভাতার ব্যবস্থা করা।
অনশনরতদের অন্যতম এমদাদুল ইসলাম বলেন, “গতকালও ঢাকায় অনশনে আমাদের শ্রমিকরা ছিল। আজকে থেকে রানা প্লাজার সামনে আমরা আমরণ অনশনে বসেছি। আমরা ঈদ করতে যেতে পারিনি গ্রামে। বাবা-মায়ের সঙ্গে ঈদ করব, গাড়ি ভাড়া দিয়ে গ্রামে যাব, সেমাই কিনব। কিন্তু সেই পরিস্থিতিও আমাদের নেই। রানা প্লাজা আজকে আমাদের শ্রমিকদের এই পরিস্থিতিতে নিয়ে এসেছে। আজ আমরা সুস্থ থাকলে চাকরি করতাম, পরিবারের সাথে ঈদ করতাম। আজ আমি মানসিক রোগীর মতো হয়ে গেছি। তাই চার দফা দাবি নিয়ে আমরা আজ এই অনশন করছি।”
২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ১০ তলা ভবন রানা প্লাজা ধসে নিহত হয় ১,১৩৬ জন মানুষ। আহত হয় কয়েক হাজার।